|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ
  3. জুলাইয়ের ১২৯ মামলায় চার্জশিট পিবিআইয়ের : ১০ হাজার আসামির ৬ হাজারই তদন্তে নির্দোষ

জুলাইয়ের ১২৯ মামলায় চার্জশিট পিবিআইয়ের : ১০ হাজার আসামির ৬ হাজারই তদন্তে নির্দোষ


প্রকাশিত হয়েছে : ১৮ মে ২০২৬

দেশ ডেস্ক:: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের কিশোর শিহাব উদ্দীন। চব্বিশের গণআন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোর শেষ দিকে এসে সে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়। শরীরের কয়েকটি জায়গা কেটে-ছিলে যায়। অথচ এই দুর্ঘটনাকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা সাজিয়ে আদালতে করা হয় হত্যাচেষ্টা মামলা। যাতে আসামি করা হয় অন্তত ৩২ জনকে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দীর্ঘ তদন্তে উঠে এসেছে সাজানো এই মামলার আদ্যোপান্ত। পুরো বিষয়টি তুলে ধরে এরই মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পিবিআই। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে করা হয়েছিল ওই মামলা।

এমন সাজানো মামলার সংখ্যা আরও অনেক। শুধু সাজানো মামলা নয়, জুলাই আন্দোলনে সহিংসতার ঘটনায় হওয়া মামলাগুলোয়ও আসামির সংখ্যায় বাড়বাড়ন্ত। এমন ১২৯টি মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিয়েছে পিবিআই। যেগুলোর তদন্তে ৯ হাজার ৮৬৫ আসামির মধ্যে ৬ হাজার ৮৯ জনই নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযোগপত্র থেকে দেওয়া হয়েছে অব্যাহতি।

এ হিসাবে শতকরা ৬২ ভাগ আসামির বিরুদ্ধেই মেলেনি অভিযোগের সত্যতা। আর ২৫ মামলার তদন্তে পুরো অভিযোগই সাজানো প্রমাণিত হওয়ায় সব আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে দেওয়া হয়েছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট)। হাতে আসা নথিপত্র ঘেঁটে মিলেছে চাঞ্চল্যকর এমন সব তথ্য।

রাজধানীর উত্তরার বাসিন্দা পারুল খাতুন। ছেলে কাওছার মিয়া জুলাই আন্দোলনে উত্তরার আজমপুর বাসস্ট্যান্ডে ছাত্র-জনতার মিছিলে গিয়ে গুলি খেয়ে হারান প্রাণ, লাশ করা হয় গুম— এমনই অভিযোগে ৪০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন পারুল।

অথচ সেই কাওছারই ডাকাতি প্রস্তুতির মামলায় গত বছরের ২ জুন গ্রেপ্তার হন পুলিশের হাতে। ফলে পারুল খাতুনের অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে ‘হত্যা ও লাশ গুমের’ এ মামলাটিও সাজানো জানিয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পিবিআই।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানালেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘর্ষ-সহিংসতা, হত্যা, হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগে করা মামলায় বাছবিচার ছাড়াই আসামি করা হয় শত শত মানুষকে। পরে তদন্তে নেমে আসামিদের অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ কিংবা সত্যতা পাওয়া যায়নি। আইনজ্ঞরা বলছেন, চব্বিশের গণআন্দোলনে সহিংসতার ঘটনায় করা অনেক মামলাই হয়ে পড়েছে প্রশ্নবিদ্ধ।

অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন— এমন ব্যক্তিদেরও করা হয়েছে আসামি। ফলে মামলার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই দেখা দিয়েছে বড় প্রশ্ন। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন প্রকৃত ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার। তারা ন্যায়বিচারের আশা করলেও, ত্রুটিপূর্ণ ও বিতর্কিত মামলার কারণে সেই বিচার প্রক্রিয়াই হতে পারে বাধাগ্রস্ত।

পিবিআইপ্রধান পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মোস্তফা কামালের সঙ্গে আলাপেও উঠে এলো একই ধরনের তথ্য। তিনি জানালেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় হওয়া অধিকাংশ মামলারই শেষ হয়েছে তদন্ত। যদিও কয়েকটি মামলার এখনো পাওয়া যায়নি এমসি (মেডিকেল সার্টিফিকেট)। প্রক্রিয়া চলছে সেগুলো সংগ্রহের। এ ছাড়া কিছু মামলার তদন্ত কাজ বাকি রয়েছে সামান্যই। দ্রুত এগুলোরও চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে আদালতে।

অনেক মামলাতেই নির্দোষদের আসামি করার বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে জানিয়ে মোস্তফা কামাল বললেন, ‘কোথাও কোথাও ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন, এমন ব্যক্তিদেরও মামলায় জড়ানো হয়েছে। এসব আজগুবি মামলা থেকে নির্দোষদের অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।’

সাজানো মামলার উদাহরণও টানেন পিবিআইপ্রধান, ‘নারায়ণগঞ্জের একটি ঘটনায় করা মামলায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ কিংবা পঞ্চগড়ের বাসিন্দাদের আসামি করা হয়েছে, তাদের কেউ জীবনে কখনো ঢাকাতেই আসেননি। তদন্তে এমন অসংগতির প্রমাণ পাওয়ায় বহু মামলায় নির্দোষ ব্যক্তিদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।’

আরেকটি ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে জানালেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতায় আহত একজনের মামলায় তার নিজের মাকেও করা হয়েছিল আসামি। শুধু তা-ই নয়, মায়ের পরিবারেরও কয়েকজনের নাম তুলে দেওয়া হয় এজাহারে।

পরে তদন্তে জানা যায়, ভুক্তভোগীর বাবার সঙ্গে মায়ের হয়েছিল বিবাহবিচ্ছেদ। এ নিয়ে বিরোধের জেরে ছেলের অজান্তে বাবা এসব নাম যোগ করেছিলেন এজাহারে। তদন্ত শেষে ওইসব নাম বাদ দিয়েই জমা দেওয়া হয়েছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন।

সারা দেশে আদালতে ও থানায় ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের ঘটনায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন, হামলা-ভাঙচুরসহ নানা অভিযোগে করা হয় অসংখ্য মামলা। যেগুলোর মধ্যে ২৭০টির তদন্ত করছে পিবিআই। এর মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে করা (সিআর) মামলা ১৯৩টি ও থানায় হওয়ার (জিআর) মামলা রয়েছে ৭৭টি।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, আদালতে করা ১৯৩টি মামলার মধ্যে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে ৯২টির অভিযোগ। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছিল ৮ হাজার ৯৬১ জনকে। তাদের মধ্যে ৩ হাজার ২০৯ জনকে অভিযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে চার্জশিট। বাকি ৫ হাজার ৭৫২ জনের বিরুদ্ধে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় সুপারিশ করা হয়েছে অভিযোগ থেকে তাদের অব্যাহতির। অর্থাৎ এসব মামলার মোট আসামির ৬৪ দশমিক ১৮ শতাংশই নির্দোষ বলে উঠে এসেছে তদন্তে। বাকি ৫৪ মামলার মধ্যে ২৫টি অপ্রমাণিত, যার ১৪টির অভিযোগ মিথ্যা আর ৫টি সত্য, কিন্তু হয়নি প্রমাণিত।

অন্যদিকে থানায় হওয়া মামলাগুলো পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৭৭টির মধ্যে ৩৭টি নিষ্পত্তির জন্য আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পিবিআই। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছিল ৯০৪ জনকে। তদন্তে তাদের মধ্যে ৫৬৭ জনের বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে অভিযোগ। সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বাকি ৩৩৭ জনের। ফলে সুপারিশ করা হয়েছে তাদের অব্যাহতির। অর্থাৎ থানার মামলায় শতকরা ৩৭ দশমিক ২৮ ভাগ আসামি নির্দোষ।

আর ৬২ দশমিক ৭২ ভাগ দোষী প্রমাণিত হয়েছে প্রাথমিকভাবে। জিআর ও সিআর মামলায় মোট আসামি করা হয়েছিল ৯ হাজার ৮৬৫ জনকে। যাদের মধ্যে ৬ হাজার ৮৯ জন নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে তদন্তে। অর্থাৎ ৬১ দশমিক ৭২ শতাংশ আসামির বিরুদ্ধে সত্যতা পাওয়া যায়নি অভিযোগের। যে কারণে তাদের নাম বাদ দিয়ে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে তদন্ত সংস্থাটি।

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বিকাল ৩টার দিকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে ছাত্র-জনতার প্রতিবাদ সমাবেশে গুলিবিদ্ধ হয়ে শিহাব উদ্দীন নামে এক কিশোর গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগে আদালতে করা হয় হত্যাচেষ্টা মামলা। শিহাবের পক্ষে ফাতেমা আক্তার পারুল বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০ জনকে আসামি করে সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে করেন ওই মামলা। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।

মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিহাব উদ্দীন বিভিন্ন সময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। গণঅভ্যুত্থানের দুদিন আগে, অর্থাৎ ৩ আগস্ট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে মিছিল নিয়ে যায় শিহাব ও তার সহযোদ্ধারা। পরদিন ছাত্র-জনতা আরেকটি মিছিল নিয়ে পরিষদের গেটের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া।

এরপর ৫ আগস্ট বিজয় মিছিল নিয়ে পরিষদের সামনে জড়ো হয় ছাত্র-জনতা। সেখানে লাল গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় দেখা যায় শিহাবকে। এর কয়েকদিন পর টুকেরবাজার শহীদ স্মৃতি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল গোলাপ নবীর পদত্যাগ দাবিতে একটি মিছিলে কালো হাফ গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় দেখা যায় তাকে। যদি ৪ আগস্ট শিহাব গুলিবিদ্ধ হয়ে থাকে, তাহলে ৫ আগস্ট বিজয় মিছিল ও ১১ আগস্ট টুকেরবাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল পরিবর্তনের মিছিলে গিয়ে ব্যানারের সামনে তার দাঁড়িয়ে থাকার কথা নয়। অথচ শিহাব ওই দিনগুলোতে মিছিলের ব্যানারের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে— পাওয়া গেছে এমন ভিডিও ফুটেজ।

জানা গেছে, ওইদিন মূলত গুলিবিদ্ধ নয়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিল শিহাব। এর সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয় আদালতে। ওইদিন, অর্থাৎ ৪ আগস্ট থ্রিহুইলার নসিমনের সঙ্গে শিহাবের লাল রঙের অ্যাপাচি ৪-ভি মডেলের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। এতে শিহাবের বাম ঊরু রডের খোঁচায় জখম হয়। এ ছাড়া রাস্তায় পড়ে গিয়ে ডান হাতের কনুইয়ের ওপর ও হাঁটুতে জখম হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ফাতেমা আক্তার পারুলের চাচা ইয়াকুব আলী আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সহিংসতার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে হয় একাধিক মামলা। ওইসব মামলার বাদীদের ফাঁসাতে পারুলের ছেলে শিহাবের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাকে সুযোগ হিসেবে নেওয়া হয়। তাকে গুলিতে আহত দেখিয়ে আদালতে করা হয় হত্যাচেষ্টা মামলা। সম্পর্কে ইয়াকুব আলীর নাতি শিহাবের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার বিষয়কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জখম হওয়ার ঘটনা সাজিয়ে আদালতে করা হয় হত্যাচেষ্টা মামলা।

ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান রবিন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে নিভেছে তার ডান চোখের আলো। একমাত্র ছেলের জীবনে ঘটে যাওয়া মর্মন্তুদ এ ঘটনায় রাজধানীর কদমতলী থানায় মামলা করেছিলেন রবিনের রঙমিস্ত্রি বাবা আবদুল করিম। ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট ৩৩ জনকে আসামি করে করা ওই মামলার তদন্তে ঘটনায় জড়িত ১৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে একজনের নাম ছিল না এজাহারে। তদন্তে পাওয়া তথ্যে তার নাম চার্জশিটে করা হয়েছে যুক্ত। তবে এজাহারে নাম থাকা ১৬ জনের বিরুদ্ধে ঘটনায় সম্পৃক্ততার মেলেনি প্রমাণ।

তদন্তের অভিজ্ঞতা কাছে তুলে ধরলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. এমদাদুল হক। তিনি বললেন, তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে, শুধু তাদেরই অভিযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে চার্জশিট। বাকিদের সুপারিশ করা হয়েছে অব্যাহতি দেওয়ার।

তদন্তে ১৮ জনের সম্পৃক্ততা মিললেও রবিন গুলিবিদ্ধের ঘটনায় আসামি করা হয়েছিল কয়েকশজনকে। বিষয়টি নিয়ে কথা হয় রবিনের বাবা আবদুল করিমের সঙ্গে। জানালেন, পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার অজান্তেই কিছু নাম তুলে দেওয়া হয় এজাহারে।

‘পিবিআইয়ের তদন্তে ১৮ জনের নামে অভিযোগপত্র দেওয়ার কথা শুনেছি। আমার ছেলে তো তখন গুলিবিদ্ধ। আমি তখন আতঙ্কিত, দিশাহারা অবস্থা। যারা মামলা করার ক্ষেত্রে সহায়তা করেছেন, তারাই আমার অজান্তে কিছু নাম এজাহারে ঢুকিয়ে দিয়েছেন।’

পিবিআই জানায়, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া ৯২টি মামলার মধ্যে ১০টি হত্যা মামলা। বাকি ৮২টি অন্যান্য আইনের। অপ্রমাণিত মামলা ২৫টি, যার ৬টির ভুক্তভোগীকে পাওয়া যায়নি খুঁজে। ১৪টির এজাহার ছিল পুরোটাই সাজানো। এ ছাড়া বাদীর অসহযোগিতা ও সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি চার মামলার। আর একটি মামলা করানো হয়েছে বাদীকে দিয়ে জোর করে।

এমন প্রেক্ষাপটে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত আইনজ্ঞরা। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস অব বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) প্রেসিডেন্ট মনজিল মোরসেদের মতে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনা কেন্দ্র করে হওয়া অনেক মামলাই এখন প্রশ্নের মুখে। তিনি বললেন, ‘প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন, এমন ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে। ফলে এসব মামলার বিশ্বাসযোগ্যতা দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং আদালতে অভিযোগ প্রমাণ করে আসামিদের শাস্তি নিশ্চিত করা কঠিন হবে।’
‘কোনো হত্যাকাণ্ডের মামলায় যদি তদন্তে এমন ব্যক্তিদের দায়ী করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নেই, তাহলে সেই মামলা আদালতে টিকবে না। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন প্রকৃত ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার। কারণ, তারা যে ন্যায়বিচারের আশা করেছিলেন, তা শেষ পর্যন্ত অধরাই থেকে যেতে পারে’— যোগ করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী। সূত্র: আগামীর সময়

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
শাহজালাল মাজারে এবার প্রায় ৭১ লাখ টাকাসহ মিলল আরও ১৯ দেশের মুদ্রা, বিপুল সোনা-রুপা

শাহজালাল মাজারে এবার প্রায় ৭১ লাখ টাকাসহ মিলল আরও ১৯ দেশের মুদ্রা, বিপুল সোনা-রুপা

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে কঠোর নিরাপত্তা, আটক ৪

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে কঠোর নিরাপত্তা, আটক ৪

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে নতুন চার সদস্য

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে নতুন চার সদস্য

শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফিরতে পারবে তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গা

বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফিরতে পারবে তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গা

উত্তরায় সোয়া কোটি টাকা লুটে পেশাদার ছিনতাইকারী, অধরা মূলহোতা

উত্তরায় সোয়া কোটি টাকা লুটে পেশাদার ছিনতাইকারী, অধরা মূলহোতা

বড়লেখায় বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে ফেরেননি সকালে জঙ্গলে মিলল বৃদ্ধের লাশ

বড়লেখায় বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে ফেরেননি সকালে জঙ্গলে মিলল বৃদ্ধের লাশ

বঙ্গবন্ধুর অবদান অতুলনীয়, তিনি স্বাধীনতার স্থপতি: আসিফ নজরুল

বঙ্গবন্ধুর অবদান অতুলনীয়, তিনি স্বাধীনতার স্থপতি: আসিফ নজরুল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

৩০ বছর ধরে বাংলাদেশি চিকিৎসককে খুঁজছে এফবিআই, কী তাঁর অপরাধ

৩০ বছর ধরে বাংলাদেশি চিকিৎসককে খুঁজছে এফবিআই, কী তাঁর অপরাধ

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: [email protected] (News)
Email: [email protected] (Advertisement)
Email: [email protected] (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top