|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ
  3. ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৭: কে হবেন ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থার উত্তরসূরী?

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৭: কে হবেন ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থার উত্তরসূরী?


প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ জুন ২০২৬

শামসুল ইসলাম : ফ্রান্সের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এখনও প্রায় এক বছর দূরে। কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে উত্তরসূরি খোঁজার লড়াই। সংবিধান অনুযায়ীবর্তমান প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron টানা তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেননা। ফলে ২০২৭ সালের নির্বাচনকে ঘিরে ক্ষমতাসীন মধ্যপন্থী শিবিরে নেতৃত্বের প্রশ্নটিএখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বেশি আলোচিত দুটি নাম হলো ম্যাক্রোঁর দুই সাবেকপ্রধানমন্ত্রী—Gabriel Attal এবং Édouard Philippe। ফরাসি দৈনিক Le Mondeসম্প্রতি তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আখ্যা দিয়েছে “উচ্চ ঝুঁকির এক বুনো প্রাইমারি” (une primaire sauvage à haut risque) হিসেবে। কারণ আনুষ্ঠানিক কোনো দলীয় প্রাইমারি না থাকলেও বাস্তবে দুই নেতার মধ্যেই শুরু হয়েছে মধ্যপন্থী ভোট ব্যাংক নিয়ন্ত্রণের লড়াই।

একই রাজনৈতিক পরিবার, ভিন্ন রাজনৈতিক পথ :

৪৬ বছর বয়সী এদোয়ার ফিলিপ ফরাসি রাজনীতিতে অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত মুখ। ২০১৭সালে ম্যাক্রোঁ ক্ষমতায় আসার পর তিনি প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং করোনা মহামারির সময় সরকার পরিচালনা করেন। বর্তমানে তিনি নিজেরদল Horizons-এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং বহুদিন ধরেই ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। রাজনৈতিক জরিপগুলোতেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপন্থী ও মধ্য–ডানপন্থী ভোটারদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।

অন্যদিকে ৩৭ বছর বয়সী গাব্রিয়েল আত্তাল ফরাসি রাজনীতির নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি। তিনি ফ্রান্সের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানেতিনি ম্যাক্রোঁপন্থী দল Renaissance-এর প্রধান নেতা এবং সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৭ সালের নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। তরুণ ভোটার, শহুরে মধ্যবিত্ত এবং সংস্কারপন্থী অংশের কাছে নিজেকে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব হিসেবে তুলেধরার চেষ্টা করছেন তিনি।

‘বুনো প্রাইমারি’: কেন উদ্বিগ্ন মধ্যপন্থীরা?

Le Monde–এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আত্তাল ও ফিলিপ উভয়েই মনে করেন তাদের প্রার্থিতা ২০২৭ সালের শুরু পর্যন্ত পাশাপাশি চলতে পারে। তারা এক ধরনের অলিখিত সমঝোতায় পৌঁছেছেন যে নির্বাচনের আগে জরিপে যিনি এগিয়ে থাকবেন, অন্য জন শেষ পর্যন্ত তার পক্ষে সরে দাঁড়াতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে এই প্রতিযোগিতা মধ্যপন্থী ভোটকে বিভক্ত করার ঝুঁকি তৈরি করছে।

ফরাসি রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্লকের বহু নির্বাচিত প্রতিনিধি আশঙ্কা করছেন, দুই নেতার দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ পর্যন্ত এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে যেখানে মধ্যপন্থী প্রার্থী দ্বিতীয় দফার ভোটে উঠতেই ব্যর্থ হবেন। তখন দ্বিতীয় দফার লড়াই সীমাবদ্ধ হয়ে যেতেপারে ডানপন্থী উগ্রে জাতীয়তাবাদী শিবির ও কট্টর বামপন্থী শিবিরের মধ্যে।

ফিলিপের শক্তি কোথায়?

এদোয়ার ফিলিপের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং স্থিতিশীল নেতৃত্বের ভাবমূর্তি। ফরাসি ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে দায়িত্বশীল, সংযত এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্ষম রাজনীতিক হিসেবে দেখে। তিনি অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা, সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থানমুখী সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন।সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি বাজেট শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য সাংবিধানিক ‘গোল্ডেন রুল’ এবং পেনশন সংস্কারের বিষয়েও কথা বলেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্য–ডানপন্থী ভোটারদের কাছে ফিলিপের গ্রহণযোগ্যতা বর্তমানে অন্য যেকোনো ম্যাক্রোঁপন্থী নেতার তুলনায় বেশি। ফলে তিনি২০২৭ সালের নির্বাচনে মধ্য ও ডানপন্থার মধ্যে একটি বিস্তৃত জোট গঠনের চেষ্টা করবেন।

আত্তালের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

গাব্রিয়েল আত্তালের প্রধান সম্পদ তার বয়স এবং রাজনৈতিক যোগাযোগ দক্ষতা।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার জনপ্রিয়তা, টেলিভিশনে সাবলীল উপস্থিতি এবং তরুণ ভোটারদের কাছে আকর্ষণীয় ইমেজ তাকে দ্রুত জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত করেছে।

তবে তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ম্যাক্রোঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার থেকে নিজেকে আলাদা করে উপস্থাপন করা। সমালোচকদের মতে, অনেক ভোটারের চোখে তিনি এখনও ‘ম্যাক্রোঁর উত্তরসূরি’ হিসেবেই পরিচিত। তাই গ্রামীণ ও প্রান্তিক ফ্রান্সে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানী কেন্দ্রিক রাজনীতির বাইরে প্রচারণা শুরু করেছেন।

২০২৭ নির্বাচনের বড় প্রশ্ন: কে দখল করবে ‘মধ্যমাঠ’?

ফরাসি রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখন হলো, ২০১৭ সালে ম্যাক্রোঁ যে বিস্তৃত মধ্যপন্থী ভোটজোট গড়ে তুলেছিলেন, ২০২৭ সালে সেটি কে নিজের পক্ষে টানতে পারবেন?

Le Monde–এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ফ্রান্সে ঐতিহ্যবাহী ডান–বাম বিভাজন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। একদিকে রয়েছে ডানপন্থী Rassemblement National-এর উত্থান, অন্যদিকে শক্তিশালী বামপন্থী বিরোধিতা। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপন্থী ভোটারদের একত্রিত করতে পারলে তবেই কোনো প্রার্থী দ্বিতীয় দফায় জয়ের লড়াইয়ে থাকতে পারবেন।

ফিলিপ বলছেন, প্রয়োজন একটি মধ্য–ডানপন্থী জোট। অন্যদিকে আত্তাল জোর দিচ্ছেন ম্যাক্রোঁর ২০১৭ সালের ‘ডান–বাম অতিক্রমকারী’ রাজনৈতিক মডেলের পুনর্গঠনের ওপর।

ডানপন্থার উত্থান: মধ্যপন্থীদের জন্য বড় হুমকি

বর্তমান জরিপ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী শিবির এখনও সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। Jordan Bardella অথবা Marine Le Pen-এর নেতৃত্বে ডানপন্থীরা প্রথম দফায় শীর্ষে থাকার সম্ভাবনা অনেক বিশ্লেষকই দেখছেন। ফলে আত্তাল ও ফিলিপের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিযোগিতা ডানপন্থীদের জন্য রাজনৈতিক সুবিধা তৈরি করতে পারে।

ফ্রান্সের ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কেবল একজন নতুন রাষ্ট্রপ্রধান বেছে নেওয়ার নির্বাচন নয়; এটি ম্যাক্রোঁ–পরবর্তী ফ্রান্সের রাজনৈতিক দিক নির্দেশনা নির্ধারণের লড়াইও। এই লড়াইয়ের কেন্দ্রে এখন রয়েছেন দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী—গাব্রিয়েল আত্তাল ও এদোয়ার ফিলিপ।

তাদের মধ্যে কে শেষ পর্যন্ত মধ্যপন্থী শিবিরের একক প্রার্থী হয়ে উঠবেন, সেটিই আগামী মাসগুলোতে ফরাসি রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে থাকবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—দুই নেতার এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে ২০২৭ সালের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে রাজনৈতিক চরম পন্থার প্রতিনিধিরাই।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৭: কে হবেন ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থার উত্তরসূরী?

শামসুল ইসলাম : ফ্রান্সের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এখনও প্রায় এক বছর দূরে। কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে উত্তরসূরি খোঁজার লড়াই। সংবিধান অনুযায়ীবর্তমান প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron টানা তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেননা। ফলে ২০২৭ সালের নির্বাচনকে ঘিরে ক্ষমতাসীন মধ্যপন্থী শিবিরে নেতৃত্বের প্রশ্নটিএখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বেশি আলোচিত দুটি নাম হলো ম্যাক্রোঁর দুই সাবেকপ্রধানমন্ত্রী—Gabriel Attal এবং Édouard Philippe। ফরাসি দৈনিক Le Mondeসম্প্রতি তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আখ্যা দিয়েছে “উচ্চ ঝুঁকির এক বুনো প্রাইমারি” (une primaire sauvage à haut risque) হিসেবে। কারণ আনুষ্ঠানিক কোনো দলীয় প্রাইমারি না থাকলেও বাস্তবে দুই নেতার মধ্যেই শুরু হয়েছে মধ্যপন্থী ভোট ব্যাংক নিয়ন্ত্রণের লড়াই।

একই রাজনৈতিক পরিবার, ভিন্ন রাজনৈতিক পথ :

৪৬ বছর বয়সী এদোয়ার ফিলিপ ফরাসি রাজনীতিতে অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত মুখ। ২০১৭সালে ম্যাক্রোঁ ক্ষমতায় আসার পর তিনি প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং করোনা মহামারির সময় সরকার পরিচালনা করেন। বর্তমানে তিনি নিজেরদল Horizons-এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং বহুদিন ধরেই ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। রাজনৈতিক জরিপগুলোতেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপন্থী ও মধ্য–ডানপন্থী ভোটারদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।

অন্যদিকে ৩৭ বছর বয়সী গাব্রিয়েল আত্তাল ফরাসি রাজনীতির নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি। তিনি ফ্রান্সের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানেতিনি ম্যাক্রোঁপন্থী দল Renaissance-এর প্রধান নেতা এবং সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৭ সালের নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। তরুণ ভোটার, শহুরে মধ্যবিত্ত এবং সংস্কারপন্থী অংশের কাছে নিজেকে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব হিসেবে তুলেধরার চেষ্টা করছেন তিনি।

‘বুনো প্রাইমারি’: কেন উদ্বিগ্ন মধ্যপন্থীরা?

Le Monde–এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আত্তাল ও ফিলিপ উভয়েই মনে করেন তাদের প্রার্থিতা ২০২৭ সালের শুরু পর্যন্ত পাশাপাশি চলতে পারে। তারা এক ধরনের অলিখিত সমঝোতায় পৌঁছেছেন যে নির্বাচনের আগে জরিপে যিনি এগিয়ে থাকবেন, অন্য জন শেষ পর্যন্ত তার পক্ষে সরে দাঁড়াতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে এই প্রতিযোগিতা মধ্যপন্থী ভোটকে বিভক্ত করার ঝুঁকি তৈরি করছে।

ফরাসি রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্লকের বহু নির্বাচিত প্রতিনিধি আশঙ্কা করছেন, দুই নেতার দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ পর্যন্ত এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে যেখানে মধ্যপন্থী প্রার্থী দ্বিতীয় দফার ভোটে উঠতেই ব্যর্থ হবেন। তখন দ্বিতীয় দফার লড়াই সীমাবদ্ধ হয়ে যেতেপারে ডানপন্থী উগ্রে জাতীয়তাবাদী শিবির ও কট্টর বামপন্থী শিবিরের মধ্যে।

ফিলিপের শক্তি কোথায়?

এদোয়ার ফিলিপের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং স্থিতিশীল নেতৃত্বের ভাবমূর্তি। ফরাসি ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে দায়িত্বশীল, সংযত এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্ষম রাজনীতিক হিসেবে দেখে। তিনি অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা, সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থানমুখী সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন।সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি বাজেট শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য সাংবিধানিক ‘গোল্ডেন রুল’ এবং পেনশন সংস্কারের বিষয়েও কথা বলেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্য–ডানপন্থী ভোটারদের কাছে ফিলিপের গ্রহণযোগ্যতা বর্তমানে অন্য যেকোনো ম্যাক্রোঁপন্থী নেতার তুলনায় বেশি। ফলে তিনি২০২৭ সালের নির্বাচনে মধ্য ও ডানপন্থার মধ্যে একটি বিস্তৃত জোট গঠনের চেষ্টা করবেন।

আত্তালের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

গাব্রিয়েল আত্তালের প্রধান সম্পদ তার বয়স এবং রাজনৈতিক যোগাযোগ দক্ষতা।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার জনপ্রিয়তা, টেলিভিশনে সাবলীল উপস্থিতি এবং তরুণ ভোটারদের কাছে আকর্ষণীয় ইমেজ তাকে দ্রুত জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত করেছে।

তবে তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ম্যাক্রোঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার থেকে নিজেকে আলাদা করে উপস্থাপন করা। সমালোচকদের মতে, অনেক ভোটারের চোখে তিনি এখনও ‘ম্যাক্রোঁর উত্তরসূরি’ হিসেবেই পরিচিত। তাই গ্রামীণ ও প্রান্তিক ফ্রান্সে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানী কেন্দ্রিক রাজনীতির বাইরে প্রচারণা শুরু করেছেন।

২০২৭ নির্বাচনের বড় প্রশ্ন: কে দখল করবে ‘মধ্যমাঠ’?

ফরাসি রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখন হলো, ২০১৭ সালে ম্যাক্রোঁ যে বিস্তৃত মধ্যপন্থী ভোটজোট গড়ে তুলেছিলেন, ২০২৭ সালে সেটি কে নিজের পক্ষে টানতে পারবেন?

Le Monde–এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ফ্রান্সে ঐতিহ্যবাহী ডান–বাম বিভাজন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। একদিকে রয়েছে ডানপন্থী Rassemblement National-এর উত্থান, অন্যদিকে শক্তিশালী বামপন্থী বিরোধিতা। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপন্থী ভোটারদের একত্রিত করতে পারলে তবেই কোনো প্রার্থী দ্বিতীয় দফায় জয়ের লড়াইয়ে থাকতে পারবেন।

ফিলিপ বলছেন, প্রয়োজন একটি মধ্য–ডানপন্থী জোট। অন্যদিকে আত্তাল জোর দিচ্ছেন ম্যাক্রোঁর ২০১৭ সালের ‘ডান–বাম অতিক্রমকারী’ রাজনৈতিক মডেলের পুনর্গঠনের ওপর।

ডানপন্থার উত্থান: মধ্যপন্থীদের জন্য বড় হুমকি

বর্তমান জরিপ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী শিবির এখনও সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। Jordan Bardella অথবা Marine Le Pen-এর নেতৃত্বে ডানপন্থীরা প্রথম দফায় শীর্ষে থাকার সম্ভাবনা অনেক বিশ্লেষকই দেখছেন। ফলে আত্তাল ও ফিলিপের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিযোগিতা ডানপন্থীদের জন্য রাজনৈতিক সুবিধা তৈরি করতে পারে।

ফ্রান্সের ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কেবল একজন নতুন রাষ্ট্রপ্রধান বেছে নেওয়ার নির্বাচন নয়; এটি ম্যাক্রোঁ–পরবর্তী ফ্রান্সের রাজনৈতিক দিক নির্দেশনা নির্ধারণের লড়াইও। এই লড়াইয়ের কেন্দ্রে এখন রয়েছেন দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী—গাব্রিয়েল আত্তাল ও এদোয়ার ফিলিপ।

তাদের মধ্যে কে শেষ পর্যন্ত মধ্যপন্থী শিবিরের একক প্রার্থী হয়ে উঠবেন, সেটিই আগামী মাসগুলোতে ফরাসি রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে থাকবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—দুই নেতার এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে ২০২৭ সালের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে রাজনৈতিক চরম পন্থার প্রতিনিধিরাই।

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
সরকারের ‘হস্তক্ষেপে’ আখতারুজ্জামানের জামিন হয়নি: গোলাম পরওয়ার

সরকারের ‘হস্তক্ষেপে’ আখতারুজ্জামানের জামিন হয়নি: গোলাম পরওয়ার

রাবিতে ছাত্রদলের হামলায় সমকাল-ডেইলি স্টার-বিডিনিউজের সাংবাদিকসহ আহত ১০

রাবিতে ছাত্রদলের হামলায় সমকাল-ডেইলি স্টার-বিডিনিউজের সাংবাদিকসহ আহত ১০

কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, গাড়ি ভাঙচুর

কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, গাড়ি ভাঙচুর

বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দে‌বে যুক্তরাজ্য

বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দে‌বে যুক্তরাজ্য

আখতারুজ্জামানের জামিন হয়নি, এজলাসে হট্টগোল-বাইরে হাতাহাতি

আখতারুজ্জামানের জামিন হয়নি, এজলাসে হট্টগোল-বাইরে হাতাহাতি

বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ: মাইকেল মিলার

বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ: মাইকেল মিলার

দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতর লুকানো ছিল ৯ কেজি সোনা

দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতর লুকানো ছিল ৯ কেজি সোনা

টিকটকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, মৌলভীবাজারে যুবক আটক

টিকটকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, মৌলভীবাজারে যুবক আটক

জনগণ শান্তিতে ঘুমাতে না পারলে সেই সরকারের প্রয়োজন নেই: ডা. শফিকুর রহমান

জনগণ শান্তিতে ঘুমাতে না পারলে সেই সরকারের প্রয়োজন নেই: ডা. শফিকুর রহমান

জমি বিক্রির টাকা নিয়ে ছেলের কিল-ঘুসিতে প্রাণ গেল বাবার

জমি বিক্রির টাকা নিয়ে ছেলের কিল-ঘুসিতে প্রাণ গেল বাবার

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: info@weeklydesh.co.uk (News)
Email: advert@weeklydesh.co.uk (Advertisement)
Email: editor@weeklydesh.co.uk (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top