নবীজির শুভাগমন সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত ও মুক্তির বার্তা নিয়ে এসেছিল: আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী
প্রকাশিত হয়েছে : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লন্ডন, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬: আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে মিডল্যান্ডস ডিভিশন ও বার্মিংহামের লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা, নাশীদ ও মীলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২ সেপ্টেম্বর বুধবার বাদ মাগরিব লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্স পরিচালিত স্যান্ডওয়েল গ্র্যান্ড জামে মসজিদে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বয়ান পেশ করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর সভাপতি হযরত আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী।
বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সর্বকালের, সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। মহান আল্লাহ সমগ্র সৃষ্টিজগতের জন্য রহমত হিসেবে তাঁকে প্রেরণ করেছেন। পবিত্র কোরআনে হযরত রাসুল (সা.)-এর আদর্শ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমাদের জন্য হযরত রাসুল (সা.)-এর মধ্যে রয়েছে সুন্দরতম আদর্শ।’
তিনি বলেন, হযরত রাসুল (সা.)-এর জীবনাদর্শ গোটা মানবজাতির জন্য অনুসরণীয়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমন মানবসভ্যতার ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ ও মহিমান্বিত ঘটনা। তাঁর আগমন সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত ও মুক্তির বার্তা নিয়ে এসেছিল।
আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে মিডল্যান্ডস ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট ও লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দীর পরিচালনায় মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মাহফিলে মিডল্যান্ডসের বিভিন্ন শহর থেকে শতাধিক আলিম-উলামাসহ কয়েক শতাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারের চেয়ারম্যান আলহাজ কামরুল হাসান চুনু, আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকের উপদেষ্টা মোহাম্মদ এমদাদ হোসাইন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খুরশেদ উল হক, কাউন্সিল মেম্বার মাস্টার আব্দুল মুহিত, আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে মিডল্যান্ডস ডিভিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাওলানা রুকন উদ্দিন আহমেদ, স্যান্ডওয়েল আল ইসলাহর প্রেসিডেন্ট মাওলানা রফিক আহমদ, বার্মিংহাম আল ইসলাহর প্রেসিডেন্ট মাওলানা বদরুল হক খান, লন্ডন এনফিল্ড জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আলী আহমদ, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী আংগুর মিয়া, ওয়ালসল আল ইসলাহর প্রেসিডেন্ট মাওলানা নোমান আহমদ, ব্রিটিশ মুসলিম স্কুলের শিক্ষক মাওলানা গুলজার আহমদ, হেড অব ইসলামিক স্টাডিজ মাওলানা মাহবুব কামাল, মাওলানা আখতার হোসাইন জাহেদ, মাওলানা দুলাল আহমদ, স্যান্ডওয়েল গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম হাফিজ আব্দুল্লাহ আল নাঈম, হাফিজ হোসাইন আহমদ, গুলজার আহমদ সামি, স্যান্ডওয়েল গ্র্যান্ড মসজিদের খাদিম আব্দুল লতিফ, সিরাজামমুনিরা ইসলামিক সেন্টারের ইমাম কারী আহমেদ আলী, এডিংটন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল আমিন, চেয়ারম্যান শফিক মিয়া চৌধুরী গণি, হাফিজ আলী হোসেন বাবুল, হাফিজ রুমেল আহমদ, মাহফুজুল হাসান খান মিল্লাত, সেলউক জামে মসজিদের ইমাম হাফিজ ফয়জুর রহমান, কারী আবুল খায়ের এবং আলবার্টট জামে মসজিদের সহকারী ইমাম হাফিজ হারুনুর রশিদসহ অনেকে।
পরিশেষে মীলাদ ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিলের সমাপ্তি হয়।


