বাংলাদেশ ক্যাটারার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে ওলি-টিপু-ফয়জুল
প্রকাশিত হয়েছে : ২৭ জুলাই ২০২৬
দেশ ডেস্ক, ২৭ জুলাই ২০২৬: যুক্তরাজ্যভিত্তিক ব্যবসায়ীদের অন্যতম সংগঠন বাংলাদেশ ক্যাটারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সংগঠনের সভাপতি হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন ওলি খান এমবিই। সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হয়েছেন টিপু রহমান এবং চিফ ট্রেজারার নির্বাচিত হয়েছেন মো. ফয়জুল হক।
রোববার (২৬ জুলাই) পূর্ব লন্ডনের দ্য উইস্টেরিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এজিএম ও নির্বাচনে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শত শত সদস্য অংশ নেন। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সভায় গত দুই বছরের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। সভা সঞ্চালনা করেন বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মিটু চৌধুরী।
নির্বাচন পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি ও ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেন। নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সলিসিটর জাবির মিয়া জেপি এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট রফিকুল হায়দার।
নবনির্বাচিত কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়ামিম আর. এইচ. দিদার, সদস্যসচিব শামসুল আলম খান এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাজ ইসলাম।
নির্বাচিত সভাপতি ওলি খান এমবিই সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, তাদের নবায়ন করা আস্থা সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তিনি বলেন, সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণ, নতুন নেতৃত্ব তৈরি এবং সরকার ও শিল্পখাতের অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাবেন।

নবনির্বাচিত সেক্রেটারি জেনারেল টিপু রহমান বলেন, এত সম্মানিত একটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার জন্য গর্বের বিষয়। তিনি সদস্যদের সঙ্গে আরও কার্যকর যোগাযোগ, সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং যুক্তরাজ্যের প্রতিটি অঞ্চলের সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
চিফ ট্রেজারার মো. ফয়জুল হক বলেন, একটি সফল সংগঠনের ভিত্তি হলো আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি। তিনি সর্বোচ্চ মানের সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সদস্য ও বৃহত্তর বাংলাদেশি কমিউনিটির কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সমাজকর্মী, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশি সংগীত ও সংস্কৃতির পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

