সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: গ্রেপ্তার বাবুলের ৪ দিনের রিমান্ড
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ আগস্ট ২০২৬
দেশ ডেস্ক, ১৬ আগস্ট ২০২৬:: সিলেটে ট্রিপল মার্ডার মামলায় গ্রেপ্তার বাবুল মিয়ার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রোববার (১৬ আগস্ট) সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।
শুনানি শেষে বিচারক ফারহানা সুলতানা তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বাদীপক্ষ বাবুল মিয়াকে মামলায় আসামি না করলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে বিচারক তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দোতলা থেকে আব্দুস সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) ও তাদের গৃহকর্মী তাহমিনা বেগমকে (১৫) হত্যা করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের দিনই পুলিশ বাবুল মিয়াকে আটক করে।
পুলিশের দাবি, পেশায় রংমিস্ত্রি বাবুল মিয়ার সঙ্গে গৃহকর্মী তাহমিনার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বুধবার সকালে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে বাবুল মিয়া একে একে তিনজনকে হত্যা করেন। জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল মিয়া হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।
গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে সিলেট কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন নিহত দম্পতির মেয়ে সেলিনা সুলতানা। তবে তার এজাহারে গ্রেপ্তার বাবুল মিয়ার নাম নেই।
অভিযোগে নগরের রিকাবিবাজারের ইম্পালস বিল্ডার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামের সম্পৃক্ততার সন্দেহের কথা উল্লেখ করেছেন সেলিনা। যদিও অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।
পুলিশের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে বাবুল মিয়ার কথিত প্রেমের সম্পর্ককে হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও সেলিনার দাবি, দীর্ঘদিনের জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভাড়াটে খুনিদের দিয়ে তার বাবা, মা ও গৃহকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে।

