|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ
  3. খুনের মামলায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে খুন হন মামুন

খুনের মামলায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে খুন হন মামুন


প্রকাশিত হয়েছে : ১০ নভেম্বর ২০২৫

দেশ ডেস্ক:: প্রায় ২৯ বছর আগের একটি হত্যা মামলায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে রাজধানীর আদালতপাড়ার কাছে খুন হয়েছেন তারিক সাইফ মামুন (৫৫)। সোমবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সামনে তিনি খুন হন।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২–এর পেশকার মো. শাহিন বলেন, ২৯ বছর আগের একটা হত্যা মামলায় সোমবার হাজিরা দিতে সকালের দিকে আদালতে আসেন মামুন। সাড়ে ১০টায় বিচারক এজলাসে ওঠেন। একটা মামলার পরই তাঁর মামলার ডাক আসে। তিনি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হাজিরা দেন। তবে এ মামলার কোনো সাক্ষী আসেনি। বিচারক আগামী বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন। বেলা পৌনে ১১টার দিকে আদালত ছেড়ে চলে যান।

গুলির ঘটনার সিসিটিভির একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে মামুন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন। তখন দুই ব্যক্তি খুব কাছে থেকে তাঁকে গুলি করছেন। ঘটনাটি ঘটে তিন থেকে চার সেকেন্ডের মধ্যে। গুলি করার পর দুই ব্যক্তি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

গুলির ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আরাফাত হোসেন ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘আমি হাসপাতালের ফটকের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। দেখি, একটা লোক দৌড়ে হাসপাতালের দিকে আসছেন। পেছন থেকে দুজন মোটরসাইকেল থেকে নেমে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। প্রথম গুলি হাসপাতালের ওপরের দিকে করেন। সেটা সোজা তিনতলার কাচে গিয়ে লাগে। ছয় থেকে সাতটি গুলি ছোড়েন। এরপর এক ব্যক্তির বুকের ডান পাশে গুলি করেন। তাঁর হাতেও গুলি লাগে।’

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় তারিক সাইফ মামুনকে (৫৫)।

জাহিদ আমিন ওরফে হিমেল নামের ২৫ বছরের এক যুবককে ১৯৯৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে মোহাম্মদপুর পিসি কালচার হাউজিং এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয়। সেদিন হিমেলের বন্ধু সাইদও আহত হন। এ ঘটনায় হিমেলের মা জাফরুন নাহার সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২–৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর তারিক সাইফ মামুনসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অপর আসামিরা হলেন ওসমান, মাসুদ ওরফে নাজমুল হোসেন, রতন, ইমন ও হেলাল। এ মামলায় সোমবার শুনানি ছিল।

ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি সূত্র বলছে, তারিক সাইফ মামুন (৫৫) একজন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ছিলেন। তিনি একসময় আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী ছিলেন। তবে অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
থানা হাজতে আ’লীগ নেতাদের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ওসিসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি

থানা হাজতে আ’লীগ নেতাদের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ওসিসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি

পূর্ব লন্ডনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

পূর্ব লন্ডনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

সৎ ও দক্ষ অফিসারদের আরও বেশি কাজের সুযোগ করে দিতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

সৎ ও দক্ষ অফিসারদের আরও বেশি কাজের সুযোগ করে দিতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি কেউ, ভোট ২০ আগস্ট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি কেউ, ভোট ২০ আগস্ট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ

বিলুপ্ত হচ্ছে র‌্যাব, গঠিত হচ্ছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন

বিলুপ্ত হচ্ছে র‌্যাব, গঠিত হচ্ছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন

রাতের আঁধারে রাস্তায় ফেলে যাওয়া সেই প্রবাসীর মৃত্যু

রাতের আঁধারে রাস্তায় ফেলে যাওয়া সেই প্রবাসীর মৃত্যু

উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি

উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না বিচারপতি খায়রুল হক

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না বিচারপতি খায়রুল হক

‘ওয়াটার সেফটি’ সচেতনতায় জোর দিচ্ছে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল

‘ওয়াটার সেফটি’ সচেতনতায় জোর দিচ্ছে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: [email protected] (News)
Email: [email protected] (Advertisement)
Email: [email protected] (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top