লন্ডনে আবদুল করিম কিমকে ঘিরে চায়ের আড্ডা
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ আগস্ট ২০২৬
দেশ ডেস্ক, ১৭ আগস্ট ২০২৬:: বাংলাদেশের পরিবেশ ও নাগরিক আন্দোলনের সংগঠক, ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, সুরমা নদী ওয়াটারকিপার ও ‘সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলন’-এর কো-অর্ডিনেটর আবদুল করিম কিমের যুক্তরাজ্যে আগমন উপলক্ষে পূর্ব লন্ডনে চায়ের আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার রাত ১০টায় বার্কিং রোডের কফি হাট হোটেলে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়।
বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহ্যাম কাউন্সিলের সাবেক মেয়র ও কাউন্সিলর মইন কাদেরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আড্ডায় পরিবেশ, নদী ও জলাভূমি রক্ষা এবং নাগরিক আন্দোলনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহ্যাম কাউন্সিলের কাউন্সিলর সৈয়দ ফিরোজ গনি, দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক আজিজুল আম্বিয়া, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঃ জুনায়েত রিয়াজ, জাকির হোসেন, যুক্তরাজ্য অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি ড. জয়নুল আবেদীন রোজ, ভিকটিম সাপোর্ট ইন্টারন্যাশনালের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম বিল্লাহসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও গণমাধ্যমকর্মী।
চায়ের আড্ডায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পরিবেশ পরিস্থিতি, নদী ও জলাভূমি রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও জীবনযাপন নিয়ে প্রাণবন্ত মতবিনিময় হয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের নদী, জলাভূমি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় নাগরিক সমাজের ভূমিকা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় দেশে ও প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তাঁরা।
আবদুল করিম কিম তাঁর দীর্ঘদিনের পরিবেশ ও নাগরিক আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, নদী, জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। পরিবেশ রক্ষা কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের একক দায়িত্ব নয়, এটি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সম্মিলিত নাগরিক দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় নাগরিকদের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের নদী, পরিবেশ ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় দেশে ও যুক্তরাজ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে মত দেন।
আড্ডাটি আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি ছাড়িয়ে পরিবেশ, নদী ও নাগরিক অধিকার নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরির একটি প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।

