৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক ঘাটতি’র কথা বললেন সিইসি
প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ আগস্ট ২০২৬
দেশ ডেস্ক, ১৯ আগস্ট ২০২৬:: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রাতিষ্ঠানিক কিছু ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও ‘নির্বাচনি কর্তা’ এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ১৯৯১ সালের পর আবারও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এখানে প্রাতিষ্ঠানিক কিছু ঘাটতি রয়েছে। কারণ দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এই নির্বাচন হচ্ছে। আর এই নির্বাচন আয়োজন আমরা কিংবা সংসদ সচিবালয়ও অভ্যস্ত নই।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিইসি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা আমাদের সীমিত। তারপরও সম্ভাব্য সব দিক বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই। পুরো প্রক্রিয়ায়ও কোনো ঘাটতি যেন না থাকে সেই ব্যবস্থাও করেছি।
তিনি বলেন, সব অংশীজনের সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজন করতে আত্মবিশ্বাসী।
সিইসি বলেন, দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ায় এটি একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন। সাবেক রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এবারের নির্বাচন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
নাসির উদ্দিন বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজন করতে নির্বাচন কমিশনের বড় ধরনের অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে না। ব্যালট ছাপানো, কাগজপত্র ও স্টেশনারিসহ কিছু আনুষঙ্গিক ব্যয় হবে। সংসদ ভবনে বৈঠক আয়োজনের ব্যয় সংসদ সচিবালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে হতে পারে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ও গণনার পদ্ধতি তুলে ধরে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতার ভোট দেওয়ার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভোট গণনার সময়ও এই সরাসরি সম্প্রচার চালু থাকবে। তবে ফলাফল ঘোষণাকালে কোন সংসদ সদস্য কাকে ভোট দিয়েছেন, তা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হবে না। ব্যালটের ওপর ভোটারের নাম এবং প্রার্থীর নাম থাকবে।
সিইসি জানান, ভোটগ্রহণের সময় সংসদ অধিবেশন কক্ষে কোনো প্রচার চালানো যাবে না। তবে সংসদ ভবনের বাইরে প্রচারণার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত আইনে প্রচার-প্রচারণা নিয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

