|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ
  3. ডাকসু নির্বাচন: গণতন্ত্রের আয়না ও তরুণ প্রজন্মের আস্থাহীনতা

ডাকসু নির্বাচন: গণতন্ত্রের আয়না ও তরুণ প্রজন্মের আস্থাহীনতা


প্রকাশিত হয়েছে : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ওবায়দুল কবীর খোকন
দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ডাকসু নির্বাচন। শিক্ষার্থীরা ভেবেছিল, এ নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক চর্চার পুনর্জাগরণ এবং তরুণ নেতৃত্ব তৈরির নতুন সূচনা। কিন্তু বাস্তবে যা ঘটেছে, তা অনেকের মতে হতাশাজনক এবং বিতর্কিত। অনিয়ম, প্রশাসনিক প্রভাব, ভোটগ্রহণে বৈষম্য ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নির্বাচনের মূল কাঠামোকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ফলে এই নির্বাচন কেবল ক্যাম্পাসের সীমারেখায় সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তা বাংলাদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবিতে রূপ নিয়েছে।

ইতিহাস থেকে বর্তমানের যাত্রা : বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ছাত্রসমাজ সবসময় ছিল অগ্রণী। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, গণআন্দোলন থেকে স্বৈরাচারবিরোধী লড়াই—প্রতিটি পর্বেই ডাকসু ও বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু দীর্ঘ বিরতির পর যখন ডাকসু নির্বাচন হলো, তখন সেটি আর আদর্শিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠল না। বরং দেখা গেল, ক্ষমতার প্রভাব ও দলীয় নিয়ন্ত্রণের ছায়া।
বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিবর্তন কেবল ছাত্ররাজনীতির সীমাবদ্ধতা নয়; বরং এটি জাতীয় রাজনীতির বর্তমান চিত্রকেও প্রতিফলিত করে।

অনিয়মের অভিযোগ ও বিতর্ক : ডাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগ ছিল, ভোটকেন্দ্রে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ঘটেছে। ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত না করে ফলাফলকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হয়েছে। পক্ষপাতিত্বের কারণে অনেক প্রার্থী ন্যায্য প্রতিযোগিতার সুযোগ পাননি।

শিক্ষার্থীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে—যে নির্বাচনকে তারা গণতান্ত্রিক অনুশীলনের মডেল হিসেবে দেখতে চেয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত অনিয়মের কারণে আস্থাহীনতার জন্ম দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় যখন স্বচ্ছ নির্বাচন সম্ভব নয়, তখন জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে জনগণের আস্থা কীভাবে ফেরানো যাবে—এ প্রশ্নই এখন সামনে আসছে।

বিরোধী সংগঠনের দুর্বলতা: এ নির্বাচনে বিরোধী ছাত্রসংগঠনগুলোর সীমাবদ্ধতা ছিল চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘদিনের দমন-পীড়ন, মামলা ও গ্রেপ্তারের কারণে তারা সংগঠিতভাবে মাঠে শক্ত অবস্থান নিতে পারেনি। এতে শিক্ষার্থীদের একাংশ বিকল্প নেতৃত্বের সম্ভাবনা দেখলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বিরোধী শক্তি যদি তরুণদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে চায়, তবে তাদের শুধু আন্দোলনের রাজনীতি নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্য স্পষ্ট ভিশন ও পরিকল্পনা দিতে হবে। তরুণরা এখন চাকরি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, গবেষণা ও সুশাসন নিয়ে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি খুঁজছে। এ জায়গায় দুর্বলতা থাকায় তাদের আস্থা অর্জন সম্ভব হয়নি।

তরুণ প্রজন্মের হতাশা
আজকের তরুণ প্রজন্ম রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি হওয়ার কথা। কিন্তু ডাকসু নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তাদের মধ্যে হতাশা ও আস্থাহীনতা সৃষ্টি করেছে। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেতৃত্ব গড়ে ওঠার কথা, সেটি যদি স্বচ্ছ না হয়, তবে আগামী দিনে তারা রাজনীতির প্রতি আগ্রহ হারাতে পারে।
শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ মনে করছে, রাজনৈতিক দলগুলো শুধু নিজেদের স্বার্থের জন্য ছাত্ররাজনীতিকে ব্যবহার করছে, কিন্তু তরুণদের প্রকৃত চাহিদা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নেই। ফলে তাদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও হতাশা তৈরি হচ্ছে।

জাতীয় রাজনীতির প্রতিচ্ছবি: ডাকসু নির্বাচন আসলে জাতীয় রাজনীতিরই প্রতিচ্ছবি। যেমন জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম ও প্রভাবের অভিযোগ ওঠে, তেমনি ক্যাম্পাস নির্বাচনেও সেটি প্রতিফলিত হয়েছে। এতে বোঝা যায়, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যদি স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হয়, তবে জাতীয় পর্যায়ে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে যায়।

করণীয় ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ডাকসু নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সময় এখনই। এ জন্য প্রয়োজন—
• যোগ্য, ত্যাগী ও মেধাবী নেতৃত্বকে সামনে আনা।
• ছাত্র-যুবসমাজের কাছে বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা, এবং দলীয় অভ্যন্তরে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া আস্থা ফেরানো সম্ভব নয়।
• শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তি খাতে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা দেওয়া।
• অর্থ বা প্রভাব নয়, বরং সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব বাছাই করা।
• আন্দোলনের পাশাপাশি বিকল্প শাসনব্যবস্থার রূপরেখা তৈরি করা।
• গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রশ্নে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে কার্যকর ভূমিকা রাখা।

এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা না হলে তরুণ প্রজন্মের আস্থা পুনর্গঠন সম্ভব নয়। আর আস্থা ছাড়া গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎও অন্ধকারময় হয়ে পড়বে।

সর্বশেষ : ডাকসু নির্বাচন অনেক আশা জাগিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত তা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনিয়ম, প্রশাসনিক প্রভাব ও বিরোধী সংগঠনের দুর্বলতা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে তরুণ প্রজন্মের আস্থা ক্ষুণ্ণ হওয়ার মাধ্যমে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নির্বাচন কেবল একটি ক্যাম্পাসভিত্তিক ঘটনা নয়; বরং এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। তরুণ প্রজন্মকে আস্থায় ফিরিয়ে আনা এখন রাজনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ। তা না হলে ভবিষ্যতে নেতৃত্বের শূন্যতা আরও গভীর হবে, যা সমগ্র জাতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

লেখক : ওবায়দুল কবীর খোকন, আইনজীবী ও সাংবাদিক ।

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
সাবেক বিএনপি নেতা মাহিদুর রহমানকে মন্ত্রী করার দাবি  যুক্তরাজ্যে বসবাসরত জাতীয়তাবাদী কুলাউড়াবাসীর

সাবেক বিএনপি নেতা মাহিদুর রহমানকে মন্ত্রী করার দাবি যুক্তরাজ্যে বসবাসরত জাতীয়তাবাদী কুলাউড়াবাসীর

সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, খালাস ২

সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, খালাস ২

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট

লংমার্চ ও মহাসমাবেশের ঘোষণা জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের

লংমার্চ ও মহাসমাবেশের ঘোষণা জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের

‘আমরা কাউকে অসম্মান করতে আসিনি, জনগণের দাবি নিয়ে এসেছি’

‘আমরা কাউকে অসম্মান করতে আসিনি, জনগণের দাবি নিয়ে এসেছি’

জুলাইয়ে সড়কে নিহত ৪১৬ জন

জুলাইয়ে সড়কে নিহত ৪১৬ জন

টাওয়ার হ্যামলেটসের নতুন কমিউনিটি গ্র্যান্টস কর্মসূচি গঠনে মতামত আহ্বান

টাওয়ার হ্যামলেটসের নতুন কমিউনিটি গ্র্যান্টস কর্মসূচি গঠনে মতামত আহ্বান

টাওয়ার হ্যামলেটসে চালু হলো ‘ইয়াং হেলথ হাব‘: শিশু ও তরুণদের জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্য সহায়তার নতুন উদ্যোগ

টাওয়ার হ্যামলেটসে চালু হলো ‘ইয়াং হেলথ হাব‘: শিশু ও তরুণদের জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্য সহায়তার নতুন উদ্যোগ

সিটি করপোরেশনের চার কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সিটি করপোরেশনের চার কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

শেখ হাসিনাকে ভারতে সংবাদমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের ক্ষোভ

শেখ হাসিনাকে ভারতে সংবাদমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের ক্ষোভ

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: [email protected] (News)
Email: [email protected] (Advertisement)
Email: [email protected] (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top