যুক্তরাজ্যে চতুর্দশ বাংলাদেশ বইমেলায় উন্মোচিত হতে যাচ্ছে কবি জান্নাতুল ফেরদৌস ডলির দুই কাব্যগ্রন্থ
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ জুন ২০২৬
দেশ ডেস্ক, ১৭ জুন ২০২৬ : সুনামগঞ্জের কৃতীজন, তরুণ ও প্রতিভাবান কবি জান্নাতুল ফেরদৌস ডলির দুটি কাব্যগ্রন্থ ‘অবাক করা আজ’ এবং ‘মনের সীমানা নেই’ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিতব্য চতুর্দশ বাংলাদেশ বইমেলা ২০২৬-এ।
২০০১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণকারী কবি জান্নাতুল ফেরদৌস ডলি অল্প বয়স থেকেই সাহিত্যচর্চার প্রতি গভীর অনুরাগী । কবিতা, সাহিত্য ও সৃজনশীল লেখালেখির মাধ্যমে তিনি নিজস্ব একটি কাব্যভাষা নির্মাণে সচেষ্ট রয়েছেন। তাঁর লেখায় মানবিক অনুভূতি, প্রেম, প্রকৃতি, জীবনসংগ্রাম, স্বপ্ন ও সমাজ বাস্তবতার নানা অনুষঙ্গ সংবেদনশীলভাবে ফুটে ওঠে।
সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ চতুর্দশ বইমেলা আগামী ২৬ ও ২৭ জুন ২০২৬ তারিখে লন্ডনের ব্রাডি আর্টস অ্যান্ড কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে । বইমেলায় দেশ-বিদেশের লেখক, কবি, গবেষক, প্রকাশক, সংস্কৃতিকর্মী ও সাহিত্যপ্রেমীদের উপস্থিতিতে কবি জান্নাতুল ফেরদৌস ডলির নতুন দুটি কাব্যগ্রন্থের আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হবে।
‘অবাক করা আজ’ এবং ‘মনের সীমানা নেই’ গ্রন্থ দুটিতে কবির ভাবনা, অনুভূতি ও জীবনবোধের বহুমাত্রিক প্রকাশ ঘটেছে। বাংলা কবিতার প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং সৃজনশীল মননশীলতার প্রতিফলন পাওয়া যায় এসব রচনায়। সাহিত্যপ্রেমীদের প্রত্যাশা, গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে বিশেষভাবে সমাদৃত হবে।
প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা ও প্রসারে বাংলাদেশ চতুর্দশ বইমেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ মেলা শুধু বইপ্রেমীদের মিলনমেলাই নয়, বরং বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির আন্তর্জাতিক বিস্তারের একটি উল্লেখযোগ্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করছে।
এ উপলক্ষে কবি জান্নাতুল ফেরদৌস ডলি বইপ্রেমী, সাহিত্যঅনুরাগী, শুভানুধ্যায়ী ও সংস্কৃতিমনা সকলকে বইমেলায় অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি তাঁর নতুন দুটি কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সফল ও প্রাণবন্ত করে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলা সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য এ আয়োজন নিঃসন্দেহে একটি আনন্দঘন মুহূর্ত। তরুণ কবি জান্নাতুল ফেরদৌস ডলির সাহিত্যযাত্রার এই নতুন অধ্যায় তাঁর সৃজনশীল পথচলাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে সাহিত্যাঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

