|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ
  3. জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহতদের ৮২ শতাংশ ভুগছেন বিষণ্ণতায়

জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহতদের ৮২ শতাংশ ভুগছেন বিষণ্ণতায়


প্রকাশিত হয়েছে : ৩১ মে ২০২৫

দেশ ডেস্ক:: জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহতদের মধ্যে ৬৪ দশমিক ১ শতাংশ তরুণ আঘাতজনিত মানসিক ব্যাধিতে (পিটিএসডি) আক্রান্ত। এ ছাড়া ৮২ দশমিক ৫ শতাংশ তরুণ ভুগছেন বিষন্ণতায়। এই মানসিক ব্যাধি ও বিষণ্ণতাকে তুলনা করা হয়েছে রুয়ান্ডার গণহত্যার সার্ভাইভারদের সঙ্গে। বলা হয়েছে, জুলাই আহতদের বিষণ্ণতার হার ১ দশমিক ৮ গুণ বেশি রুয়ান্ডার গণহত্যার সার্ভাইভারদের তুলনায়।

একই সঙ্গে আঘাতজনিত মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্তের হারও দেড় গুণ বেশি। সম্প্রতি পিয়ার রিভিউড মেডিক্যাল জার্নাল কিউরিয়াসের প্রকাশিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১৭ জন আহতের ওপর বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) ও পাবনা মানসিক হাসপাতালের একদল গবেষক গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন। গবেষণায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ৭৫, জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) ৬৫ এবং বিএমইউতে চিকিৎসাধীন ৭৭ জনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, যাদের বেশির ভাগের বয়স ২০-২৯ বছরের মধ্যে।

গবেষণায় অংশ নেওয়া ২১৭ জনের মধ্যে ৯৭ দশমিক ২ শতাংশ ছিলেন পুরুষ এবং ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। তাদের ১ দশমিক ৪ শতাংশ মানসিক সেবার অধীনে ছিলেন। এ ছাড়া ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশই গুলিবিদ্ধ ছিলেন। ৮১ দশমিক ১ শতাংশ দ্রুত চিকিৎসা পেলেও ১০ শতাংশের চিকিৎসায় ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, বিষণ্নতা ও আঘাতজনিত মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্তের হার বিপজ্জনকভাবে বেশি, যথাক্রমে ৮২ দশমিক ৫ শতাংশ ও ৬৪ দশমিক ১ শতাংশ। যেখানে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠী-সহিংসতার গবেষণায় বিষণ্নতার হার ৪৯ শতাংশ এবং পিটিএসডির হার ৪ শতাংশ থেকে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত ছিল। রুয়ান্ডার গণহত্যার জীবিতদের মধ্যে পিটিএসডি ও বিষণ্নতা ছিল ৪৬ শতাংশ করে। এ ছাড়া বিষণ্নতায় আক্রান্তদের মধ্যে গুরুতর ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ এবং মাঝারি গুরুতর ৩৬ দশমিক ৪ শতাংশ। আর পিটিএসডি আক্রান্তদের মধ্যে গুরুতর ৪ দশমিক ১ শতাংশ, মাঝারি গুরুতর ২০ দশমিক শতাংশ ।

এ ছাড়া গ্রামীণ অংশগ্রহণকারীদের মানসিক স্বাস্থ্য শহরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ। গবেষণাটির ইউনিভেরিয়েট বিশ্লেষণে গ্রামবাসীদের মধ্যে বিষণ্নতা ও পিটিএসডির সম্ভাবনা শহরবাসীদের তুলনায় বেশি। পিটিএসডি আক্রান্তদের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ বিষণ্নতায়ও আক্রান্ত ছিলেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৭৭ দশমিক ১ শতাংশ পিটিএসডিতেও আক্রান্ত এত বেশি মানসিক প্রভাবের পেছনে প্রাণঘাতী আঘাত, স্থায়ী শারীরিক ক্ষতি, দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, সহযোদ্ধাদের মৃত্যু প্রত্যক্ষ করা এবং মানসিক প্রস্তুতির অভাব অনুঘটক হিসাবে রয়েছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণায় আরো উঠে এসেছে, যাদের আঘাত বেশি ছিল, তারা দ্রুত চিকিৎসা নিয়েছেন। এই গুরুতর ট্রমা-অভিজ্ঞতা পিটিএসডি বাড়িয়ে দিতে পারে। পিটিএসডি হওয়ার প্রধান কারণ হলো ট্রমার তীব্রতা, সামাজিক সহায়তার অভাব ও চলমান জীবনের চাপ।

গবেষকরা বলছেন, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য পুনর্বাসন কর্মসূচি চালু, বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের কেন্দ্রীয় নিবন্ধন ব্যবস্থা এবং গণসচেতনতা বৃদ্ধির প্রচারাভিযান এখন সময়ের দাবি। এ ছাড়া ভবিষ্যতের গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদি তথ্য সংগ্রহ, আঘাতের প্রকৃতি, অক্ষমতার মাত্রা ও সহনশীলতা বিশ্লেষণ করে সংস্কৃতিভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্য হস্তক্ষেপ পদ্ধতি গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

তারা বলছেন, রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো যদি সময় মতো চিহ্নিত ও সমাধান না করা হয়, তাহলে তা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজুড়ে পুনর্বাসনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। এই মানসিক প্রভাব উপেক্ষা করা হলে, তা এক প্রজন্মের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ট্রমা ও সামাজিক অসুস্থতার জন্ম দিতে পারে।

গবেষক দলের প্রধান ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) মনোরোগবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শামসুল আহসান বলেন, ‘বিষণ্নতা এক ধরনের মানসিক অবসাদ। দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় থেকে মন খারাপ থাকে, ভালো লাগে না, খাওয়ার রুচি পায় না, কাজকর্ম করতে পারে না। দীর্ঘ মেয়াদে বিষণ্নতায় আক্রান্তদের আত্মহত্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়। কারণ তারা বেঁচে থাকা এবং মরে যাওয়ার মধ্যে কোনো তফাৎ বোঝে না।’

ডা. শামসুল আহসান বলেন, ‘এরা আসলে এমন একটি পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে ভবিষ্যতে যদি এদের মানসিক সমস্যাকে চিহ্নিত না করা এবং সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে যাবে। সম্প্রতি জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটেও আত্মহত্যার প্রচেষ্টা দেখা গেছে। এ জন্য এ ধরনের রোগীদের আত্মহত্যার ঝুঁকি অনেক বেশি।’

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
জিসিএসই পরীক্ষায় লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমির অসাধারণ সাফল্য

জিসিএসই পরীক্ষায় লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমির অসাধারণ সাফল্য

গুলশানে স্পা সেন্টারে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, ৫৩ নারী-পুরুষ আটক

গুলশানে স্পা সেন্টারে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, ৫৩ নারী-পুরুষ আটক

খুলনায় একই স্থানে ২ যুবককে গুলি করে হত্যা, এলাকায় আতঙ্ক

খুলনায় একই স্থানে ২ যুবককে গুলি করে হত্যা, এলাকায় আতঙ্ক

বিএনপির সংসদীয় দলের সভা : কাঁদলেন-কাঁদালেন মির্জা ফখরুল

বিএনপির সংসদীয় দলের সভা : কাঁদলেন-কাঁদালেন মির্জা ফখরুল

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক ঘাটতি’র কথা বললেন সিইসি

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক ঘাটতি’র কথা বললেন সিইসি

টাওয়ার হ্যামলেটস কমিউনিটি ইকুইপমেন্ট সার্ভিসের নতুন প্রোভাইডার

টাওয়ার হ্যামলেটস কমিউনিটি ইকুইপমেন্ট সার্ভিসের নতুন প্রোভাইডার

২৪ আগস্ট থেকে ভিক্টোরিয়া পার্কে ফিরছে চার দিনব্যাপী কমিউনিটি উৎসব “ইন দ্য নেইবারহুড”

২৪ আগস্ট থেকে ভিক্টোরিয়া পার্কে ফিরছে চার দিনব্যাপী কমিউনিটি উৎসব “ইন দ্য নেইবারহুড”

পোর্টসমাউথে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাংবাদিক নেতা এম জি কিবরিয়ার মতবিনিময়

পোর্টসমাউথে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাংবাদিক নেতা এম জি কিবরিয়ার মতবিনিময়

লন্ডনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

লন্ডনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আমেরিকার ‘দ্য রিপাবলিক’-এ মনসুর নোমানের আলোকচিত্র

আমেরিকার ‘দ্য রিপাবলিক’-এ মনসুর নোমানের আলোকচিত্র

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: [email protected] (News)
Email: [email protected] (Advertisement)
Email: [email protected] (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top