সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা : ১৯তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস ১ নভেম্বর
প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশ ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬:: যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ক্যাটারিং ও হসপিটালিটি খাতের উদ্যোক্তা, রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী, শেফ, ম্যানাজার ও কর্মীদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে আগামী ১ নভেম্বর লন্ডনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্যাটারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএ) ১৯তম অ্যাওয়ার্ডস। এবারের আয়োজনে উদ্যোক্তা, রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী, শেফ, ম্যানাজার, কর্মী ও উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতাদের অবদান বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে। এ আয়োজনকে ঘিরে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সিটি অব লন্ডনের গিল্ডহলের ওয়েস্ট উইং রিসেপশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এবারের আয়োজনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিসিএ নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনের হোস্ট ছিলেন কাউন্সিলম্যান মনসুর আলী।
এবারের আয়োজনের মূল বার্তা ‘আজকের অর্জনকে সম্মান, আগামীর সাফল্যে অনুপ্রেরণা।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১৯ বছর ধরে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ক্যাটারিং ও হসপিটালিটি শিল্পের সাফল্য, অবদান ও উৎকর্ষকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। সময়ের সঙ্গে এটি যুক্তরাজ্যের রেস্টুরেন্ট ও হসপিটালিটি খাতের পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী নেতা, কমিউনিটি প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক আয়োজনে পরিণত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ও হসপিটালিটি খাত কয়েক প্রজন্ম ধরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান এবং দক্ষিণ এশীয় খাবারের ঐতিহ্যকে ব্রিটিশ সমাজের মূলধারায় প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখে আসছে। আগামী ১ নভেম্বর রোববার লন্ডনের পার্ক প্লাজা ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজ হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে ১৯তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬। এবারের আয়োজনে উদ্যোক্তা, রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী, শেফ, ব্যবস্থাপক, কর্মী ও উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতাদের অবদান বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে।
এতে প্রতিষ্ঠিত রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে শেফ, ম্যানাজার, কর্মী ও নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সংশ্লিষ্টদের মিলনমেলায় পরিণত হবে। পাশাপাশি এটি পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ব্যবসায়ী কমিউনিটির অর্জন উদযাপনের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি ও কার্যক্রম তদারকি করছেন বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস ও নৈশভোজ কমিটির কনভেনার আতিক রহমান বিইএম।

বিসিএ প্রেসিডেন্ট অলি খান এমবিই বলেন, বিসিএ অ্যাওয়ার্ডসের ১৯তম বছরে পৌঁছানো সংগঠন এবং ক্যাটারিং শিল্প-উভয়ের জন্যই একটি গর্বের মুহূর্ত। এই অ্যাওয়ার্ডস শিল্পের পেছনে থাকা মানুষের নিষ্ঠা, উদ্যোগ ও অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
তিনি বিশেষভাবে নারী শেফদের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ক্যাটারিং ও আতিথেয়তা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। নারী শেফদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি, তাদের দক্ষতা তুলে ধরা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা প্রয়োজন।
বিসিএ জেনারেল সেক্রেটারি টিপু রহমান বলেন, বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস এখন হসপিটালিটি শিল্পে উৎকর্ষ উদযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক আয়োজনে পরিণত হয়েছে। এবারের অনুষ্ঠান সদস্যদের অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করবে।
বিসিএ চীফ ট্রেজারার এম ফয়জুল হক বলেন, বিসিএ অ্যাওয়ার্ডসের ধারাবাহিক সাফল্য ক্যাটারিং ও হসপিটালিটি শিল্পের শক্তি ও দৃঢ়তার প্রতিফলন। এবারের আয়োজনে এমন ব্যক্তিদের সম্মান জানানো হবে, যারা সফল ব্যবসা গড়ে তোলার পাশাপাশি কমিউনিটি ও যুক্তরাজ্যের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখছেন।
বিসিএ প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি নাজ ইসলাম বলেন, বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস ব্রিটিশ-বাংলাদেশি হসপিটালিটি শিল্পের অর্জন, নিষ্ঠা ও অবদানকে উদযাপন করে। শিল্প ও কমিউনিটিকে শক্তিশালী করতে যারা নিরলসভাবে কাজ করছেন, এবারের অনুষ্ঠান তাদের অবদানকে সামনে নিয়ে আসবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন জনমত পত্রিকার সম্পাদক সৈয়দ নাহাস পাশা, সাপ্তাহিক দেশ পত্রিকার সম্পাদক ও লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তাইসির মাহমুদ, ওয়ার্ক পারমিট ক্লাউডের সিইও ব্যারিস্টার লুৎফুর রহমান, অ্যাওয়ার্ডস কমিটির কনভেরার আতিক রহমান বিইএম, কোবরা বিয়ারের স্যামসন সোহাইল, কিংফিশার বিয়ারের সন্দীপ দেওয়ান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়ামিম দিদার, রেস্টুরেন্ট অব দ্য ইয়ার কমিটির প্রধান আবদুল সুফান, সাবেক সভাপতি এম কামাল ইয়াকুব, সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন মোকাদ্দুস ও আবদুল হাই, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিঠু চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হুসাইন টিপু, টোটাল ফুডসের স্পনসর রেজা আহমেদ, নির্বাহী সদস্য নাসির উদ্দিন।


