ওসমানীকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সব এয়ারলাইন্স চালুর দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা
প্রকাশিত হয়েছে : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে কার্যকর করা এবং সব বিদেশি এয়ারলাইন্স চালুর দাবিতে যুক্তরাজ্যে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে গত ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৫টায় পূর্ব লন্ডনের গ্রেটারক্স স্ট্রিটের মাইক্রো বিজনেস পার্কে সর্বদলীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
‘ক্যাম্পেইন কমিটি ফর ফুল্লি ফাংশনাল ওসমানী ইন্টারন্যাশনাল’-এর আহ্বানে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের আহ্বায়ক কে এম আবু তাহের চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব এম এ রবের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মুনিম, সাবেক সিভিক মেয়র কাউন্সিলার ফারুক চৌধুরী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী অধিকার পরিষদের সভাপতি জামান আহমদ সিদ্দিকী, অর্থ সচিব সলিসিটর ও লেখক মোহাম্মদ ইয়াওর উদ্দিন, সাবেক ব্রিটিশ এমপি প্রার্থী সৈয়দ নুরুল ইসলাম দুলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহবাব হোসেন চৌধুরী ও আব্দুর রহিমসহ আরও অনেক কমিউনিটি নেতা ও সংগঠক।
সভায় বক্তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলমান থাকা সত্ত্বেও ওসমানী বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালু না করা এবং বিদেশি ফ্লাইট চালুর অনুমতি না দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দু’দফা সরকারপ্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই ন্যায্য দাবি উত্থাপন করেছেন।
বক্তারা আরও জানান, এ দাবির পক্ষে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন, হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক, সিলেটে বিশাল মানববন্ধন, উপদেষ্টাদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান এবং বার্মিংহাম, নিউক্যাসল, ব্রাডফোর্ড, লুটন, কার্লাইল, ফোকস্টন, সারে ও লেস্টারসহ বিভিন্ন শহরে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু প্রবাসীদের এই ন্যায্য দাবি দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে উপেক্ষিত হয়ে আসছে।
সভায় বলা হয়, বাংলাদেশ বিমানের আকাশচুম্বী ভাড়ার কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবার-পরিজন নিয়ে দেশে যেতে পারছেন না, যা প্রবাসীদের প্রতি সরকারের বৈষম্যমূলক আচরণের শামিল। দীর্ঘ আলোচনার পর নেতৃবৃন্দ সিলেটবাসীর ন্যায্য দাবি আদায়ে বিশাল জনসভা, মানববন্ধন, বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাও, বিমান বয়কট এবং রেমিট্যান্স বন্ধের কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
সভা থেকে আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যে বিমান ভাড়া হ্রাস, ওসমানী বিমানবন্দর থেকে বিদেশি ফ্লাইট চালুর অনুমতি প্রদান এবং টার্মিনাল ভবনের কাজ সম্পন্ন করার জন্য সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি জোর অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

