|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ
  3. যুদ্ধের কেন্দ্রে অগ্নিগর্ভ হুরমুজ প্রণালি

যুদ্ধের কেন্দ্রে অগ্নিগর্ভ হুরমুজ প্রণালি


প্রকাশিত হয়েছে : ১২ মার্চ ২০২৬

দেশ ডেস্ক:: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক কেন্দ্র হয়ে উঠেছে হুরমুজ প্রণালি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পরিবহন পথকে ঘিরেই এখন আবর্তিত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ-উত্তেজনা আর রাজনীতি। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, সামুদ্রিক মাইন পাতা নিয়ে অভিযোগ এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর পাল্টা অভিযানের খবর প্রণালিটিকে কার্যত অচল করে দিয়েছে। সবশেষ গতকাল পরপর ৩টি জাহাজে হামলা হয়েছে, এরমধ্যে একটিতে আগুন ধরে গেছে।

ইরান হুঁশিয়ার করেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও তাদের মিত্রদের যেকোনো জাহাজ তেহরানের বৈধ লক্ষ্য। এমন পরিস্থিতিতে জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা দিতে মার্কিন নৌবাহিনীর অস্বীকৃতি পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। বিবিসি, রয়টার্স, আলজাজিরা, সিএনএন, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে আভাস মিলেছে, হুরমুজের পরিস্থিতি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। টালমাতাল করে দিতে পারে বিশ্ববাজার।

জ্বালানি সরবরাহের প্রাণকেন্দ্র হুরমুজ : পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা সরু সমুদ্রপথ হুরমুজ প্রণালি বহু দশক ধরে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার একটি কেন্দ্রীয় ধমনি হিসেবে পরিচিত। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিন প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়, যা বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

এই পথ দিয়ে শুধু তেল নয়, বিপুল পরিমাণ তরল প্রাকৃতিক গ্যাসও পরিবহন করা হয়। কাতার বিশ্বের সবচেয়ে বড় তরল গ্যাস রফতানিকারক দেশগুলোর একটি এবং তাদের প্রায় সব গ্যাসই এই প্রণালি দিয়ে বিশ্ববাজারে পৌঁছায়। সৌদি আরব, কুয়েত, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো বড় তেল উৎপাদক দেশগুলোর জন্যও এটি প্রধান রফতানিপথ। তাই এই সমুদ্রপথে কোনো সামরিক উত্তেজনা বা নিরাপত্তা সংকট দেখা দিলে তার প্রভাব দ্রুত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়ে।

যুদ্ধ শুরু ও উত্তেজনার বিস্তার : যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মাধ্যমে ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই হুরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সতর্কবার্তা দেয়।

সিএনএনের লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সতর্ক করে দেয় যে সংঘাত চলাকালে এই সমুদ্রপথ দিয়ে যাতায়াত করা জাহাজগুলো ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এরপর থেকেই অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে শুরু করে বা উপসাগরের বিভিন্ন বন্দরে অপেক্ষা করতে থাকে।

তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা : সংঘাতের নতুন মাত্রা দেখা যায় যখন হুরমুজ প্রণালির কাছে কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে। রয়টার্স জানিয়েছে, একটি কার্গো জাহাজ অজ্ঞাত উৎস থেকে ছোড়া প্রক্ষেপণের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলার ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি জাহাজে থাকা নাবিকদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। আনাদুলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার শিকার তিনটি জাহাজের মধ্যে একটি ছিল থাইল্যান্ডের কার্গো জাহাজ। ওই জাহাজে থাকা ২০ জন নাবিককে উদ্ধার করা হয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি জাহাজে আঘাত হানার পর জাহাজটি থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায় এবং নাবিকদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। এই হামলার পর আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলো হুরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ পাঠানো নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করে।

মাইন পাতা নিয়ে নতুন অভিযোগ : সংঘাতের আরেকটি বড় মাত্রা তৈরি হয় যখন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দাবি করে যে ইরান হুরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক মাইন বসানোর চেষ্টা করছে। দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে ইরানের কিছু নৌযান প্রণালিতে মাইন বসানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পরিবহন শিল্পে নতুন আতঙ্ক তৈরি হয়। কারণ সামুদ্রিক মাইন বসানো হলে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি : এই পরিস্থিতিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী হুরমুজ প্রণালির কাছে সামরিক অভিযান চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের বরাতে জানানো হয় যে মাইন বসানোর কাজে ব্যবহৃত ইরানের ১৬টি নৌযান ‘নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে’। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো উল্লেখ করেছে যে এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি : এ ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা দেন। সিএনএন ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বলেন; যদি প্রণালিতে মাইন বসানো হয়ে থাকে এবং তা দ্রুত সরানো না হয়, তা হলে ইরানকে কঠোর সামরিক জবাবের মুখে পড়তে হবে। তার এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয় এবং এই হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও হুরমুজে ৩ জাহাজ আক্রান্ত হয়।

জাহাজ চলাচলে ধস : হুরমুজ প্রণালিতে সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল দ্রুত কমে যায়। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী যুদ্ধ শুরুর আগে যেখানে প্রতিদিন কয়েক ডজন তেলবাহী জাহাজ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করত, সংঘাত শুরুর পর তা প্রায় শূন্যে নেমে আসে। অনেক তেলবাহী জাহাজ উপসাগরের বিভিন্ন বন্দরের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকে।

মার্কিন নৌবাহিনীর নিরাপত্তা অস্বীকৃতি : এ পরিস্থিতিতে শিপিং কোম্পানিগুলো মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা দেওয়ার অনুরোধ জানায়। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনী জানায় যে বর্তমান পরিস্থিতিতে জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এর ফলে আন্তর্জাতিক শিপিং শিল্পে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

ইসরাইল-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা : একই সময়ে ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলাও তীব্র হয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইল ইরান ও লেবাননের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে বৈরুতের একটি আবাসিক ভবনে হামলার খবরও পাওয়া গেছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের দিকে হামলা চালিয়েছে। এই হামলাগুলোর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

দুবাইয়ের কাছে ড্রোন হামলা : সংঘাতের প্রভাব শুধু সমুদ্রেই নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন শহরেও দেখা যাচ্ছে। সিএনএনের লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে দুটি ড্রোন পড়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় চারজন আহত হন। তবে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়নি।

‘সুস্থ ও নিরাপদ’ নতুন সর্বোচ্চ নেতা : ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হামলায় ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি আহত হয়েছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়লেও তিনি নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। বুধবার দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ছেলে ও সরকারের উপদেষ্টা ইউসুফ পেজেশকিয়ান বলেছেন, সর্বোচ্চ নেতা বর্তমানে পুরোপুরি সুস্থ আছেন।

এর আগে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত ও তার ছেলে মুজতবা খামেনি আহত হন। এই খবর প্রকাশের পর ইরানের পক্ষ থেকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নিরাপদ ও সুস্থ আছেন বলে জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক স্টোরিতে ইউসুফ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ??‘আমি খবর পেয়েছিলাম মুজতবা খামেনি আহত হয়েছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ আছে এমন কয়েকজন বন্ধুর কাছে আমি এই বিষয়ে খোঁজ নিয়েছি। তারা আমাকে জানিয়েছেন, আল্লাহর রহমতে তিনি নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।’

যুদ্ধে আহত ১৪০ মার্কিন সেনা : যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৪০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত আটজনের অবস্থা গুরুতর। গত মঙ্গলবার পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর পর থেকে টানা ১০ দিনের হামলায় প্রায় ১৪০ জন মার্কিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন।’ খবর রয়টার্সের
পারনেল জানান, গুরুতর আহত আট সেনাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রয়টার্স নিশ্চিত করতে পারেনি যে আহত সেনাদের কী ধরনের আঘাত লেগেছে। এসবের মধ্যে বিস্ফোরণের ধাক্কায় হওয়া মস্তিষ্কজনিত আঘাত বা ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরি রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়। এমন আঘাত বিস্ফোরণের সংস্পর্শে এলে প্রায়ই দেখা যায়।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর কূটনৈতিক মিশনেও হামলা করেছে ইরান। পাশাপাশি হোটেল, বিমানবন্দরেও আঘাত হানা হয়েছে এবং তেল অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে।

তেলের বাজারে তীব্র প্রতিক্রিয়া : হুরমুজ প্রণালি ঘিরে এই সামরিক উত্তেজনার প্রভাব দ্রুত তেলের বাজারে পড়তে শুরু করেছে। রয়টার্স জানিয়েছে, সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি একশ ডলারের বেশি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হুরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় অচল থাকলে তা বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে এশিয়ার বড় তেল আমদানিকারক দেশগুলো এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, হুরমুজ প্রণালিতে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে হুরমুজ প্রণালি কার্যত বিশ্ব জ্বালানি বাজারের সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
বিলুপ্ত হচ্ছে র‌্যাব, গঠিত হচ্ছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন

বিলুপ্ত হচ্ছে র‌্যাব, গঠিত হচ্ছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন

রাতের আঁধারে রাস্তায় ফেলে যাওয়া সেই প্রবাসীর মৃত্যু

রাতের আঁধারে রাস্তায় ফেলে যাওয়া সেই প্রবাসীর মৃত্যু

উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি

উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না বিচারপতি খায়রুল হক

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না বিচারপতি খায়রুল হক

‘ওয়াটার সেফটি’ সচেতনতায় জোর দিচ্ছে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল

‘ওয়াটার সেফটি’ সচেতনতায় জোর দিচ্ছে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল

সামার অব ফান ২০২৬-এর শেষ দুই সপ্তাহে টাওয়ার হ্যামলেটসজুড়ে থাকছে অসংখ্য ফ্রি আয়োজন

সামার অব ফান ২০২৬-এর শেষ দুই সপ্তাহে টাওয়ার হ্যামলেটসজুড়ে থাকছে অসংখ্য ফ্রি আয়োজন

রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্টের জরুরি নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্টের জরুরি নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

যুক্তরাজ্যের বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

যুক্তরাজ্যের বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

লন্ডনে আবদুল করিম কিমকে ঘিরে চায়ের আড্ডা

লন্ডনে আবদুল করিম কিমকে ঘিরে চায়ের আড্ডা

গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস আঞ্চলিক কমিটি গঠন

গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস আঞ্চলিক কমিটি গঠন

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: [email protected] (News)
Email: [email protected] (Advertisement)
Email: [email protected] (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top