ইংল্যান্ডের বর্ণমাউথ সি-সাইডে কার্ডিফ কমিউনিটির প্রাণবন্ত বনভোজন
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ জুলাই ২০২৬
দেশ ডেস্ক, ২৮ জুলাই ২০২৬:: যুক্তরাজ্যের ওয়েলসভিত্তিক কার্ডিফ কমিউনিটির উদ্যোগে ইংল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলের মনোরম পর্যটনকেন্দ্র ডরসেটের বর্ণমাউথ সি-সাইডে দিনব্যাপী বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ বনভোজন পরিণত হয় মিলনমেলা ও আনন্দ উৎসবে।
গত সোমবার (২৭ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ বনভোজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন কমিউনিটি সংগঠক ভিপি সেলিম আহমেদ, যুবসংগঠক খলিলুর রহমান, সামাজিক ব্যক্তিত্ব সুমন আলী এবং সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান।
ওয়েলস থেকে কোচযোগে বর্ণমাউথের উদ্দেশে যাত্রার মধ্য দিয়েই শুরু হয় আনন্দ আয়োজন। পথে রকমারি খাবারের পাশাপাশি গান, কৌতুক, আবৃত্তি ও প্রাণবন্ত আড্ডায় মেতে ওঠেন অংশগ্রহণকারীরা। সমুদ্রসৈকতে পৌঁছে শুরু হয় কাবাডি, রশি টানাটানি, হাঁড়ি ভাঙা, সাঁতারসহ নানা বিনোদনমূলক আয়োজন। শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সী অংশগ্রহণকারীর সরব উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো সৈকত এলাকা।
প্রতিযোগিতায় ঐতিহ্যবাহী কাবাডিতে ওয়েলস বাংলা নিউজের সম্পাদক মোহাম্মদ মকিস মনসুরের দল চ্যাম্পিয়ন হয়। রশি টানাটানিতে কমিউনিটি সংগঠক শেখ মোহাম্মদ আনোয়ারের দল বিজয়ী হয়। হাঁড়ি ভাঙা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন ভূবেল রহমান।
দিনব্যাপী আয়োজন শেষে ডিনার ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ভিপি সেলিম আহমেদ ও খলিলুর রহমানের পরিচালনায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কার্ডিফ কাউন্টি কাউন্সিলর সালেহ আহমেদ, ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মকিস মনসুর, আলহাজ লিলু মিয়া, হারুন তালুকদার, লিয়াকত আলী, আসাদ মিয়াসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে বসবাসরত নবীন ও প্রবীণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করে। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন নিয়মিত অব্যাহত রাখার ওপর তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন।
বনভোজনে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি সংগঠক গোলাম মর্তুজা, আব্দুল ওয়াহিদ বাবুল, আফজাল খান মিতু, মুহিবুর রহমান মায়া, মুজিবুর রহমান, সৈয়দ ইকবাল আহমেদ, আবুল কালাম মুমিন, রকিবুর রহমান, জহির আলী, আলমগীর আলম, কয়েস খান, আব্দুল জলিল, ফখরুল ইসলাম, জমসেদ ইউসুফ, ফয়জুল ইসলাম, আকমল আলী, ফয়েজ মিয়া, মুজিব মিয়া, সেলিম আহমদ, আবুল রোকসান, বুবল মিয়া, তমসসির আলী, আবুল হোসেন, পারভেজ খান, মানিক মিয়া, সায়েম আহমেদ, কুদ্দুস মিয়া, ফেরদৌস আলী, বেলাল মিয়া, সেবুল হোসেন, মারুফ আহমেদ, কামাল হোসেন, গিয়াস মিয়া, মুজাহিদ আলী, সাদিকুর রহমান, কামাল মিয়া, রশিদ আহমেদ, আব্দুল কাদির, মোহাম্মদ তাহেফসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা এ বনভোজন প্রবাসীদের জন্য হয়ে ওঠে এক আনন্দঘন মিলনমেলা। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, গ্রীষ্মকালীন এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের সুযোগই তৈরি করে না, বরং প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও আত্মীয়তার বন্ধন আরও দৃঢ় করে। তাঁরা প্রতিবছর এমন বনভোজন আয়োজনের আহ্বান জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

