ইস্ট লন্ডন মসজিদে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘কমিউনিটি কনভারসেশন’
প্রকাশিত হয়েছে : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
লন্ডন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬: কমিউনিটির মানুষের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইস্ট লন্ডন মসজিদের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কমিউনিটি কনভারসেশন’। এ আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরা সরাসরি মসজিদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে নিজেদের মতামত, পরামর্শ ও প্রত্যাশা তুলে ধরার সুযোগ পান।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত লন্ডন মুসলিম সেন্টারের গ্রাউন্ড ফ্লোরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা মসজিদের বিভিন্ন সেবা ও কার্যক্রম সম্পর্কে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা ফিডব্যাক ফর্ম পূরণের মাধ্যমে মসজিদের সেবার মানোন্নয়নে তাঁদের মতামত, নতুন ধারণা ও প্রত্যাশা জানান । পাশাপাশি অনেকে মসজিদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে মসজিদের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল হাই মুরশাদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জুনায়েদ আহমেদ, হেড অব অ্যাসেটস অ্যান্ড অপারেশনস আসাদ জামান এবং হেড অব প্রোগ্রামসও মারিয়াম সেন্টারের ম্যানেজার সুফিয়া আলমসহ মসজিদের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সম্পর্কে মসজিদের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল হাই মুরশাদ বলেন, ‘আমরা সারা বছরই কমিউনিটির মানুষের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করি। এসব মতামত আমাদের সেবা কার্যক্রমের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কমিউনিটি কনভারসেশনের মাধ্যমে মানুষ সরাসরি আমাদের কাছে তাঁদের মতামত ও নতুন ধারণা তুলে ধরার সুযোগ পান।’
মসজিদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জুনায়েদ আহমেদ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কমিউনিটির মানুষের কথা শোনার জন্য বিশেষভাবে আয়োজিত এ ধরনের অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘আজ এত নারী ও পুরুষ সদস্যকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে তাঁদের মূল্যবান মতামত ও নতুন ধারণা তুলে ধরতে দেখে আমরা আনন্দিত। আমরা তাঁদের প্রতিটি মতামত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করব এবং মসজিদের ভবিষ্যৎ সেবা ও সুযোগ-সুবিধার পরিকল্পনায় সেগুলো কাজে লাগাব।’
উল্লেখ্য, গত বছর প্রথমবারের মতো ‘কমিউনিটি কনভারসেশন’ উদ্যোগ চালু করা হয়। কমিউনিটির মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং মসজিদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণের মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।


