|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ
  3. ট্রাম্পের নতুন শুল্কহার, বাংলাদেশের কী হবে

ট্রাম্পের নতুন শুল্কহার, বাংলাদেশের কী হবে


প্রকাশিত হয়েছে : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

দেশ ডেস্ক:: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধে হঠাৎ করেই বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বহুল আলোচিত ‌‘ইউনিভার্সাল বেসলাইন ট্যারিফ’ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের পরিপন্থি এবং আইনিভাবে অবৈধ বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

এই রায় কেবল আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং এর ওপর নির্ভর করছে বিশ্ব অর্থনীতির উত্থান-পতন। অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের জন্যও বড় মাথা ব্যথার কারণ ট্রাম্পের এই শুল্কনীতি।

শুল্ক নিয়ে চলমান বৈশ্বিক অস্থিরতায় ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে; এমন প্রশ্ন যেমন রয়েছে, তেমনই বাংলাদেশের সঙ্গে হওয়া চুক্তির কী হবে, শুল্ক বাতিল হলেও অন্য শর্তগুলো বহাল থাকবে কি না, এমন নানা প্রশ্ন সামনে আসছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে ক্ষমতায় বসার পর থেকেই মার্কিন পাল্টা শুল্ক নিয়ে টালমাটাল গোটা বিশ্ব। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের কয়েক হাজার কোটি টাকার ভাগ্যের চাবিকাঠিও এখানে।

নানা আলোচনা আর দরকষাকষির পর কয়েকদিন আগেই শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। অবশ্য এ নিয়ে দেশের অর্থনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ীসহ খাত সংশ্লিষ্টদের নানা সমালোচনা রয়েছে। যদিও চুক্তি স্বাক্ষর ঘিরে বছরজুড়ে যে অস্থিরতা চলছিল, সেটি দূর করে সম্প্রতি নতুন কৌশল নিয়ে চিন্তাচাভাবনা শুরু করেছিলেন ব্যবসায়ীরা।

কিন্তু মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের মাধ্যমে আবারও এক নতুন মোড় নিয়েছে পুরো বিষয়টি। বাংলাদেশ কি এই রায়ে লাভবান হবে, নাকি ট্রাম্পের ‘প্ল্যান বি’ আমাদের আরও বড় সংকটে ফেলবে; এমন প্রশ্ন নতুন করে সামনে আনছেন অনেকে। আদালতের রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অন্য আইনে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে, বাংলাদেশের ১৯ শতাংশ শুল্ক কমে ১০ শতাংশ হচ্ছে।

এটাকে আপাতদৃষ্টিতে ভালো মনে হলেও, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের। তারা বলছেন, দেশটির যে আইনে ট্রাম্প নতুন শুল্কের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেখানে আপাতত শুল্ক কমার বিষয়টি ছাড়া বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে তেমন স্বস্তির বার্তা নেই।

অবশ্য দেশের শিল্প কারখানাগুলোর কাজের পরিবেশ, পরিবেশগত কমপ্লাসেন্স ঠিক রাখাসহ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি যদি ভালো থাকে তাহলে প্রেক্ষাপট ভিন্ন হতে পারে। কারণ দেশটির ট্রেড অ্যাক্ট ১৯৭৪-এর ধারা ১২২ ব্যবহার করে ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের যে নতুন সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিয়েছেন; সেটি একটি দেশের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ যাচাই করে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

• আদালতের রায়ে সব ওলট-পালট
২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। ২০২৫ সালের শুরুতেই তিনি ঘোষণা দেন, পৃথিবীর যেকোনও দেশ থেকে আমেরিকায় পণ্য ঢুকলে তার ওপর ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হবে।

বাংলাদেশের জন্য এটি ছিল বিনামেঘে বজ্রপাত। ভিয়েতনাম বা ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের শ্রমমূল্য কম হলেও মার্কিন শুল্কের কারণে বাংলাদেশি পোশাকের দাম আমেরিকায় আকাশচুম্বী হয়ে যায়। ফলে ওয়ালমার্ট, গ্যাপ বা এইচঅ্যান্ডএমের মতো বড় বড় ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার হুমকি দেয়।

২০২৫ সালের ২ এপ্রিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর বিভিন্ন হারে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বা পাল্টা শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র, যেটা বিশ্ব অর্থনীতিতে একধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল। বাংলাদেশ পড়ে ৩৫ শতাংশ শুল্কের আওতায়।

শেষ পর্যন্ত দরকষাকষি শেষে উভয় পক্ষ ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ নামে এই বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করে; যার ফলে বাংলাদেশের ওপর মার্কিন পাল্টা শুল্ক দাঁড়ায় ১৯ শতাংশ।

যার বিনিময়ে বাংলাদেশ আমেরিকা থেকে বিপুল পরিমাণ তুলা, সয়াবিন এবং অন্তত চারটি বোয়িং বিমান কিনতে সম্মত হয়। তখন এই চুক্তিকে বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদরা ‘অসম’ এবং ‘জবরদস্তিমূলক’ বলে সমালোচনা করেছিলেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট শুল্ক নিয়ে সম্প্রতি যে রায় দিয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট বা আইইইপিএ ব্যবহার করে শুল্ক বসিয়েছিলেন, সেটি জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে হলেও আসলে ছিল অর্থনৈতিক জবরদস্তি।

এই রায়ের ফলে এতদিন ধরে বাংলদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্প প্রশাসন যে পাল্টা শুল্ক আরোপের চুক্তি করছিল সেটি আর কার্যকর থাকছে না। তবে পিছু হটেননি ট্রাম্প। আদালতের রায়ের কয়েক ঘণ্টার মাথায় তিনিও অন্য একটি আইনে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছেন।

হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাজ্য, ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন দেশগুলোকে এখন থেকে তাদের পূর্বে আলোচনা করা শুল্ক হারের পরিবর্তে ধারা ১২২-এর অধীনে বিশ্বব্যাপী ১০ শতাংশ শুল্কের সম্মুখীন হতে হবে।

ওই কর্মকর্তা বলছেন, শুল্কের বিষয়টি পরিবর্তন হলেও বাণিজ্য চুক্তি বাতিল হচ্ছে না। তাই চুক্তির অধীনে যেসব বিষয়ে সম্মতি বা যেসব শর্ত রয়েছে সেগুলো মেনে চলবে বলেই আশা করে ট্রাম্প প্রশাসন।

• ট্রাম্প প্রশাসন যে পথে
বিশ্ব বাণিজ্যে অন্য দেশের ওপর শুল্ক আরোপের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নয়, বরং কংগ্রেসের হাতেই সর্বোচ্চ ক্ষমতা। ট্রাম্প যে আইনের ওপর ভিত্তিতে শুল্ক আরোপ করেছিলেন, সেটি মূলত ১৯৭৭ সালের জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনে, যেখানে ট্রাম্পকে এত ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।

শুল্ক ইস্যুতে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর, এই রায় কার্যকরের প্রক্রিয়া নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এছাড়া যেসব বড় কোম্পানি ইতোমধ্যে বাড়তি হারে শুল্ক পরিশোধ করেছে তাদের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে কি না এমন নানা জটিলতাও রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের এমন রায় নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রায় প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর হোয়াইট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি আদালতের কিছু সদস্যকে নিয়ে লজ্জিত। আমাদের দেশের স্বার্থে সঠিক কাজটি করার সাহস দেখাতে না পারায় আমি তাদের নিয়ে পুরোপুরি লজ্জিত।

নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের যে সিদ্ধান্ত ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী এই পথে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের হাতে রয়েছে। ট্রেড অ্যাক্ট ১৯৭৪-এর ধারা ১২২ ব্যবহার করে নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প। নিয়ম অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে মার্কিন কর্তৃপক্ষ যাচাই করবে যে সংশ্লিষ্ট দেশ আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আনফেয়ার ট্রেড প্র্যাকটিস করছে কি না।

এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশটির শ্রমবাজার, শ্রমিকের কর্ম-পরিবেশ, বেতন, পরিবেশ দূষণ, নারীদের কর্ম পরিবেশ এসব বিষয়ে অনিয়ম হচ্ছে কি না সেগুলো তদন্ত করবে মার্কিন প্রশাসন।

এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে মার্কিন আইন অনুযায়ী। যদি কোনও অনিয়ম পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশটিকে ঘাটতি থাকা বিষয়গুলো ঠিক করতে আরও ১৫০ দিনের সময় দেওয়া হবে। তবে এই সময় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র।

এক্ষেত্রে বাড়তি শুল্ক আরোপ বা বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখা না রাখার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে কংগ্রেসের স্মরণাপন্ন হতে হবে। আর যদি কোনও অনিয়ম না পাওয়া যায়, তাহলে শুল্ক শূন্যের কোটায় নামিয়ে ফিরতে হবে নিয়মিত বাণিজ্য প্রক্রিয়া বা চুক্তিতে।

• কী করবে বাংলাদেশ?
বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র। যদিও দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের বড় বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। দুই দেশের ৮০০ কোটি ডলারের বাণিজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি বেশি, আমদানি কম।

পাল্টা শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে বাণিজ্য ঘাটতির এই বিষয়টিকে বড় করে সামনে এনেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে বাংলাদেশও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিমান, কৃষিপণ্যসহ নানা পণ্য আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

অবশ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদায়ের আগ মুহূর্তে যে চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হয়েছে সেটি নিয়ে খুশি হতে পারেননি বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ কিংবা ব্যবসায়ীদের কেউই।

তাদের মতে, ওই চুক্তিতে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের চেয়ে আমেরিকা বেশি লাভবান হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ কী করতে পারবে, কী পারবে না এই বিষয়গুলোই চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি যে চুক্তি হয়েছে সেটি অসম। আমাদের প্রাপ্তির চেয়ে ক্ষয় বেশি, কঠিন কঠিন শর্ত ওখানে আছে।

তিনি বলছেন, ট্রাম্পের ট্যারিফ শুরু থেকেই আনপ্রেডিক্টাবল, কখন কী হয় বলা যাচ্ছে না। এখন যে ১০ শতাংশ দিয়েছে, সেটা আবার কয়দিন থাকে সেটাও তো অনিশ্চিত।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর পরিস্থিতি বদলেছে বলেই মত অর্থনীতিবিদদের। যদিও এ নিয়ে আলোচনার সময় এখনও আসেনি বলেই মনে করেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে পুরোনো চুক্তি নিয়ে আলোচনার চেষ্টা না করে বাংলাদেশের উচিত চুপ থেকে সময় নেওয়া। যে সমস্ত শর্তে আমরা চুক্তি করতে বাধ্য হয়েছি সেগুলো নিয়ে এখন আলোচনা করতে গেলে ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য কমানোর মতো কঠোর সিদ্ধান্তও নিতে পারে।

ড. জাহিদ হোসেন বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রায় আমাদের জন্য সুখবর। তবে আলোচনার জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে। একইসাথে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে।

‘‘ট্রাম্প এখন যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন এটি ১৫০ দিন পর্যন্ত বহাল থাকবে। এর মধ্যে মার্কিন প্রশাসন তাদের মতো করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ তদন্ত করবে। তাই বাংলাদেশের উচিত হবে যেসব বিষয়ে ঘাটতি রয়েছে সেগুলো ঠিক করা বা যথাযথ উত্তর নিয়ে প্রস্তুত থাকা।’’

অবশ্য ১৫০ দিনের এই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এতগুলো দেশের তদন্ত শেষ করে ব্যবস্থা নেবে, এটি সম্ভব নয় বলেও মনে করেন জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, এতগুলো দেশে এই কম সময়ে যেসব বিষয় তদন্ত করতে হবে, সেটি মার্কিন প্রশাসনের জন্যও সম্ভব না। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য চীন এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা। বিবিসি বাংলা।

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
বিলুপ্ত হচ্ছে র‌্যাব, গঠিত হচ্ছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন

বিলুপ্ত হচ্ছে র‌্যাব, গঠিত হচ্ছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন

রাতের আঁধারে রাস্তায় ফেলে যাওয়া সেই প্রবাসীর মৃত্যু

রাতের আঁধারে রাস্তায় ফেলে যাওয়া সেই প্রবাসীর মৃত্যু

উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি

উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না বিচারপতি খায়রুল হক

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না বিচারপতি খায়রুল হক

‘ওয়াটার সেফটি’ সচেতনতায় জোর দিচ্ছে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল

‘ওয়াটার সেফটি’ সচেতনতায় জোর দিচ্ছে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল

সামার অব ফান ২০২৬-এর শেষ দুই সপ্তাহে টাওয়ার হ্যামলেটসজুড়ে থাকছে অসংখ্য ফ্রি আয়োজন

সামার অব ফান ২০২৬-এর শেষ দুই সপ্তাহে টাওয়ার হ্যামলেটসজুড়ে থাকছে অসংখ্য ফ্রি আয়োজন

রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্টের জরুরি নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

রেডব্রিজ কমিউনিটি ট্রাস্টের জরুরি নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

যুক্তরাজ্যের বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

যুক্তরাজ্যের বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

লন্ডনে আবদুল করিম কিমকে ঘিরে চায়ের আড্ডা

লন্ডনে আবদুল করিম কিমকে ঘিরে চায়ের আড্ডা

গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস আঞ্চলিক কমিটি গঠন

গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস আঞ্চলিক কমিটি গঠন

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: [email protected] (News)
Email: [email protected] (Advertisement)
Email: [email protected] (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top