|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. ইউকে
  3. দলীয় এমপিদের চাপ, তবে ‘সরবেন না’ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী

দলীয় এমপিদের চাপ, তবে ‘সরবেন না’ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী


প্রকাশিত হয়েছে : ০৯ মে ২০২৬

দেশ ডেস্ক:: ব্রিটেনে স্থানীয় নির্বাচনের ভোট গণনা এখনো শেষ হয়নি। তবে ফল আসার আগেই দলের কিছু সদস্য প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমারকে লেবার পার্টির বিপর্যয়ের জন্য দোষারোপ করে তাকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

দুই বছর আগে ক্ষমতায় আসার পর এটা সবচেয়ে বড় নির্বাচনী পরীক্ষা বলে মনে করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের জন্য। তিনি দলের খারাপ ফলাফলের বিষয়টি স্বীকার করেছেন, তবে বলেছেন, পদত্যাগ করার “কোনো ইচ্ছা নেই” তার।

ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি ইংল্যান্ডে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় কাউন্সিলের আসন হারিয়েছে। ওয়েলশ পার্লামেন্ট গঠনের ২৭ বছর পর প্রথমবারের মতো দলটি ওই অঞ্চলে ক্ষমতা হারাচ্ছে।

ওয়েলসে জাতীয়তাবাদী প্লাইড কামরি পার্টি সর্বাধিক আসন পেয়েছে।

এই নির্বাচনে সবচেয়ে বড় বিজয়ী হয়েছে ব্রিটেনের ডানপন্থি রিফর্ম পার্টি।

একই সময়ে, প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টিও ইংল্যান্ডে তাদের সমর্থনের বড় একটি অংশ হারিয়েছে।

স্কটল্যান্ডে স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি স্থানীয় পার্লামেন্টে সবচেয়ে বড় দল হিসেবেই থাকার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

ইংল্যান্ডে স্থানীয় নির্বাচনে ফল প্রকাশ শুরুর পর লেবার পার্টির ভোটের হার কমে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। দলের এই বিপর্যয়ে কিয়ের স্টারমারকে দোষারোপ করতে শুরু করেন দলের অনেক এমপি।

তবে দলের ভরাডুবি স্বীকার করলেও স্টারমার বলেন, “আমি পদত্যাগ করব না এবং দেশকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে যাব না”।

“আমরা অপ্রয়োজনীয় ভুল করেছি” বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্টারমারকে প্রশ্ন করা হয়, লেবার পার্টির কিছু নেতা জানিয়েছেন যে তারা এমন মানুষের কথা শুনেছেন যারা বলছেন- কিয়ের স্টারমারের কারণে লেবারকে ভোট দেবেন না।

জবাবে স্টারমার বলেন, ফলাফল কঠিন এবং “স্বাভাবিকভাবেই এটা কষ্ট দেয়”। তবে যোগ করেন, “তাই সঠিক কাজ হলো সামনে এগোনোর পথ নির্ধারণ করা”।

তিনি বলেন, দেশের আর্থিক অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি- উভয় ক্ষেত্রেই যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা নিয়ে জনগণের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বললেও যেগুলো তারা যথেষ্টভাবে বোঝাতে পারেননি।

“এই পরিবর্তনগুলো তাদের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলবে, কীভাবে তাদের জীবন আরও ভালো হবে, এই সরকারের প্রথম দুই বছরে আশার বার্তাটা পর্যাপ্তভাবে তুলে ধরা হয়নি।”

নিজের দলের যেসব এমপি তাকে পদত্যাগ করতে বা সরে যাওয়ার সময়সূচি নির্ধারণ করতে বলছেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার মনে হয় সঠিক কাজ হলো পুনর্গঠন করা এবং সামনে যাওয়ার পথ দেখানো।”

“গত কয়েক বছরে অর্থনীতি স্থিতিশীল করা, আমাদের জনসেবায় বিনিয়োগ করা এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ার মতো বেশ কয়েকটি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।”

“এর সঙ্গে আমাদের আশাবাদ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে যে যুক্তিগুলো দিচ্ছি, সেগুলোও যুক্ত করতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করা হয়, তাকে যদি চ্যালেঞ্জ করা হয়, তিনি কি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

স্টারমার আবার বলেন, তিনি সরে যাবেন না, তবে এর মানে এই নয় যে লেবারকে ফলাফলের প্রতি সাড়া দিতে হবে না।

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর ব্রিটেনে সবচেয়ে বড় নির্বাচন হয়েছে বৃহস্পতিবার যেখানে কোটি কোটি ভোটার ব্যালটে তার মত জানিয়েছেন।

ইংলিশ কাউন্সিল ইলেকশনে স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের সাধারণ নির্বাচন এবং যুক্তরাজ্যের ১৩৬টি শহর ও স্থানীয় কাউন্সিলের সদস্য নিয়োগে ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

দেশজুড়ে লেবার পার্টি ১,৪০০-র বেশি আসন হারিয়েছে, যদিও লন্ডনে তাদের ক্ষতি দলটির অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটিগুলোর মতো ততটা ভয়াবহ ছিল না।

দলটি ওয়েলশ পার্লামেন্টে এক ঐতিহাসিক পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং ইংল্যান্ডের বহু এলাকায় কাউন্সিল ও কাউন্সিলর—উভয়ই হারিয়েছে।

স্কটল্যান্ডে এসএনপি সবচেয়ে বড় দল হিসেবেই রয়েছে, তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছাতে পারেনি।

রিফর্ম ইউকে জোরালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। তারা ইংল্যান্ডে বেশ কয়েকটি কাউন্সিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, ওয়েলশ পার্লামেন্টে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে এবং স্কটিশ পার্লামেন্টে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

কিছু কাউন্সিলের ফল ঘোষণা এখনো বাকি আছে।

একই সময়ে, প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টিও ইংল্যান্ডে তাদের সমর্থনের বড় একটি অংশ হারিয়েছে।

স্কটল্যান্ডে স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি স্থানীয় পার্লামেন্টে সবচেয়ে বড় দল হিসেবেই থাকার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

ইংল্যান্ডে স্থানীয় নির্বাচনে ফল প্রকাশ শুরুর পর লেবার পার্টির ভোটের হার কমে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। দলের এই বিপর্যয়ে কিয়ের স্টারমারকে দোষারোপ করতে শুরু করেন দলের অনেক এমপি।

তবে দলের ভরাডুবি স্বীকার করলেও স্টারমার বলেন, “আমি পদত্যাগ করব না এবং দেশকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে যাব না”।

“আমরা অপ্রয়োজনীয় ভুল করেছি” বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্টারমারকে প্রশ্ন করা হয়, লেবার পার্টির কিছু নেতা জানিয়েছেন যে তারা এমন মানুষের কথা শুনেছেন যারা বলছেন- কিয়ের স্টারমারের কারণে লেবারকে ভোট দেবেন না।

জবাবে স্টারমার বলেন, ফলাফল কঠিন এবং “স্বাভাবিকভাবেই এটা কষ্ট দেয়”। তবে যোগ করেন, “তাই সঠিক কাজ হলো সামনে এগোনোর পথ নির্ধারণ করা”।

তিনি বলেন, দেশের আর্থিক অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি- উভয় ক্ষেত্রেই যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা নিয়ে জনগণের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বললেও যেগুলো তারা যথেষ্টভাবে বোঝাতে পারেননি।

“এই পরিবর্তনগুলো তাদের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলবে, কীভাবে তাদের জীবন আরও ভালো হবে, এই সরকারের প্রথম দুই বছরে আশার বার্তাটা পর্যাপ্তভাবে তুলে ধরা হয়নি।”

নিজের দলের যেসব এমপি তাকে পদত্যাগ করতে বা সরে যাওয়ার সময়সূচি নির্ধারণ করতে বলছেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার মনে হয় সঠিক কাজ হলো পুনর্গঠন করা এবং সামনে যাওয়ার পথ দেখানো।”

“গত কয়েক বছরে অর্থনীতি স্থিতিশীল করা, আমাদের জনসেবায় বিনিয়োগ করা এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ার মতো বেশ কয়েকটি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।”

“এর সঙ্গে আমাদের আশাবাদ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে যে যুক্তিগুলো দিচ্ছি, সেগুলোও যুক্ত করতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করা হয়, তাকে যদি চ্যালেঞ্জ করা হয়, তিনি কি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

স্টারমার আবার বলেন, তিনি সরে যাবেন না, তবে এর মানে এই নয় যে লেবারকে ফলাফলের প্রতি সাড়া দিতে হবে না।

স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচন
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর ব্রিটেনে সবচেয়ে বড় নির্বাচন হয়েছে বৃহস্পতিবার যেখানে কোটি কোটি ভোটার ব্যালটে তার মত জানিয়েছেন।

ইংলিশ কাউন্সিল ইলেকশনে স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের সাধারণ নির্বাচন এবং যুক্তরাজ্যের ১৩৬টি শহর ও স্থানীয় কাউন্সিলের সদস্য নিয়োগে ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

দেশজুড়ে লেবার পার্টি ১,৪০০-র বেশি আসন হারিয়েছে, যদিও লন্ডনে তাদের ক্ষতি দলটির অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটিগুলোর মতো ততটা ভয়াবহ ছিল না।

দলটি ওয়েলশ পার্লামেন্টে এক ঐতিহাসিক পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং ইংল্যান্ডের বহু এলাকায় কাউন্সিল ও কাউন্সিলর—উভয়ই হারিয়েছে।

স্কটল্যান্ডে এসএনপি সবচেয়ে বড় দল হিসেবেই রয়েছে, তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছাতে পারেনি।

রিফর্ম ইউকে জোরালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। তারা ইংল্যান্ডে বেশ কয়েকটি কাউন্সিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, ওয়েলশ পার্লামেন্টে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে এবং স্কটিশ পার্লামেন্টে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

কিছু কাউন্সিলের ফল ঘোষণা এখনো বাকি আছে।

ইউকে এর আরও খবর
টাওয়ার হ্যামলেটসজুড়ে এ-লেভেল ফলাফলে উচ্ছ্বাস, শিক্ষার্থীদের সাফল্যে গর্বিত পরিবার ও শিক্ষকরা

টাওয়ার হ্যামলেটসজুড়ে এ-লেভেল ফলাফলে উচ্ছ্বাস, শিক্ষার্থীদের সাফল্যে গর্বিত পরিবার ও শিক্ষকরা

টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের রিলিফ ফান্ড বাসিন্দাদের কাউন্সিল ট্যাক্স বৃদ্ধি থেকে সুরক্ষা দিচ্ছে

টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের রিলিফ ফান্ড বাসিন্দাদের কাউন্সিল ট্যাক্স বৃদ্ধি থেকে সুরক্ষা দিচ্ছে

কমিউনিটির ৫৬ প্রবীণকে নিয়ে ইএলএম সিনিয়র সিটিজেন প্রজেক্টের দিনব্যাপী আনন্দ ভ্রমণ

কমিউনিটির ৫৬ প্রবীণকে নিয়ে ইএলএম সিনিয়র সিটিজেন প্রজেক্টের দিনব্যাপী আনন্দ ভ্রমণ

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস লন্ডন মহানগরীর দিনব্যাপী শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস লন্ডন মহানগরীর দিনব্যাপী শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত

আরো বড় পরিসর ও বর্ণিল আয়োজনে সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে ব্রিক লেন কারি ফেস্টিভ্যাল

আরো বড় পরিসর ও বর্ণিল আয়োজনে সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে ব্রিক লেন কারি ফেস্টিভ্যাল

বাসিন্দাদের জন্য ৩,৪০০ নতুন বাড়ি নির্মাণে হাউজিং অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করছে টাওয়ার হ্যামলেটস

বাসিন্দাদের জন্য ৩,৪০০ নতুন বাড়ি নির্মাণে হাউজিং অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করছে টাওয়ার হ্যামলেটস

দ্বৈত নাগরিক প্রবাসীদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশের প্রতিবাদে লন্ডনে সভা

দ্বৈত নাগরিক প্রবাসীদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশের প্রতিবাদে লন্ডনে সভা

মুসলিম কমিউনিটির মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম

মুসলিম কমিউনিটির মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম

ঘৃণা ও বিভাজনের বিরুদ্ধে টাওয়ার হ্যামলেটসে সামার রেজিলিয়েন্স ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

ঘৃণা ও বিভাজনের বিরুদ্ধে টাওয়ার হ্যামলেটসে সামার রেজিলিয়েন্স ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

ওসমানী বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে রূপান্তরের দাবিতে যুক্তরাজ্যে বিশেষ সভা

ওসমানী বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে রূপান্তরের দাবিতে যুক্তরাজ্যে বিশেষ সভা

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: [email protected] (News)
Email: [email protected] (Advertisement)
Email: [email protected] (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top