ব্রাইটনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত
প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ জুন ২০২৬
যুক্তরাজ্যের ব্রাইটনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টায় ব্রাইটনের পোসলেট স্পোর্টস সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন।
জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ একত্রিত হন। আয়োজকেরা জানান, অনুষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য ছিল প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও দৃঢ় করা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ সিটি কাউন্সিলের সাবেক মেয়র ও লেবার পার্টির কাউন্সিলর মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান আহমেদ, কমিউনিটি নেতা, লেখক ও সাংবাদিক মহিউজ্জামান মহী এবং ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সিনিয়র সহসভাপতি ইমদাদুন খানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মিজানুর রহমান, তাপস ভূঁইয়া, কাকন, মলিন, সুপ্ত, পারভেজ, আরিফ ও শারমিন। উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন তাপস ভূঁইয়া।
সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন যুক্তরাজ্যের পরিচিত শিল্পী দেলোয়ার হোসেন দিলু। এছাড়া গান পরিবেশন করেন তাপস, সানোয়ার, শারমিন, আমিনা, শান্ত, শিউলি ও রায়হান শিকদার। শিশু শিল্পী এমরিন মাইকেল জ্যাকসনের একটি জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করে।
কবিতা আবৃত্তি করেন মিজানুর রহমান ও জুয়েল আহমেদ। নৃত্য পরিবেশন করেন সোনাইরা ও সোবানা।
অনুষ্ঠানে শিশুদের ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় সোনাইরা, দ্বিতীয় আদিব ভূঁইয়া এবং তৃতীয় আয়রা। মহিলাদের ‘মিউজিক্যাল পিলো’ প্রতিযোগিতায় প্রথম হন আফরোজা আক্তার শিমু, দ্বিতীয় রোমানা আফরিন আলি এবং তৃতীয় শামিমা আক্তার পলি। এছাড়া রাফেল ড্রয়ের বিজয়ীদের মধ্যেও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রবাসীদের নিজস্ব উদ্যোগে আনা ঘরোয়া খাবারের আয়োজন। অংশগ্রহণকারীরা লেম্ব বিরিয়ানি, চিকেন বিরিয়ানি, হালিম, চটপটি, কেক, মিষ্টান্ন ও বিভিন্ন ফলসহ নানা ধরনের খাবার ভাগাভাগি করে উপভোগ করেন।
আয়োজকেরা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে রাখার এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

