গ্লোবাল জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপন
প্রকাশিত হয়েছে : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
গ্লোবাল জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। গত ২০ ডিসেম্বর ভার্চুয়ালি জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এ দিবসটি পালন করা হয়।
গ্লোবাল জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুরের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও কমিউনিটি লিডার ময়নুল চৌধুরী হেলালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন একুশে পদকপ্রাপ্ত ১৯৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. অরুপ রতন চৌধুরী। এ সময় তাঁর পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত ও বিজয়ের গান পরিবেশিত হয়।
সভায় আরও অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি অলি উদ্দিন শামীম, কাউন্সিলর ফয়জুর রহমান, চিফ ট্রেজারার ডা. রফিকুল হায়দার, আব্দুল ওদুদ দিপক, শামীম আহমেদ, মোস্তাক আহমদ। বাংলাদেশ থেকে যোগ দেন ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মুহিব উদ্দিন এবং বিশিষ্ট ব্যাংকার জনতা ব্যাংকের সাবেক জিএম শামীম আলম কোরেশী ও ইকবাল হোসেন। ফ্রান্স থেকে সভাপতি ফয়সাল উদ্দিন ও সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল বাসিত, পর্তুগাল শাখার সভাপতি লায়ন আবুল হাসনাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক (বাফেলো) থেকে শাম্মী আক্তার হেপীসহ আরও অনেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
অনুষ্ঠানে ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ইংল্যান্ড, ইতালি, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে গ্লোবাল জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল বীরের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট মুহিবুর রহমান মুহিব হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাঁর সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস।
আলোচনা সভায় সাধারণ সম্পাদক ময়নুল চৌধুরী হেলাল বলেন, ‘মহান বিজয় দিবস আমাদের জাতীয় গৌরবের প্রতীক ও স্বাধীনতার চূড়ান্ত সাফল্যের স্মারক। স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হলে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক করতে হবে। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরমতসহিষ্ণুতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ঐক্যের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ মকিস মনসুর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অংশগ্রহণকারী সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা চিরতরে দমিয়ে দিতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরীহ, নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ইতিহাসের নৃশংস গণহত্যা চালায়। ট্যাংক, কামান ও মেশিনগানের মতো ভয়ংকর সমরাস্ত্র নিয়ে তারা হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে।
তিনি আরও বলেন, সেই গণহত্যার বিরুদ্ধে বাংলার বীর সন্তানেরা প্রতিরোধ গড়ে তুলে স্বাধীনতার জন্য মরণপণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ৩০ লাখ শহীদের রক্ত, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম ও বিপুল সম্পদহানির বিনিময়ে অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। এ বিজয় আমাদের অহংকার। বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

