ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের শোক
প্রকাশিত হয়েছে : ২২ আগস্ট ২০২৬
দেশ ডেস্ক, ২২ আগস্ট ২০২৬:: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ।
এক শোকবার্তায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জালাল উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় তারা বলেন, ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী। ১৯৮০ সালে তিনি মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ‘দ্য নিউ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অর্ডার’ প্রকাশনায় যুক্ত ছিলেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াধাম কলেজে পড়াশোনা করেন।
তারা আরও বলেন, ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একই প্রতিষ্ঠানের মানবাধিকার প্রকল্পের সমন্বয়কারী হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১/১১-এর সময় বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে একজন নিবেদিতপ্রাণ আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের অবদান ছিল অনন্য। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার কারামুক্তির আন্দোলনেও তিনি আইনি ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতারা বলেন, দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য পেশাজীবনে ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ তাঁর মেধা, সততা, প্রজ্ঞা ও পেশাগত দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের আইন অঙ্গন ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
শোকবার্তায় আরও বলা হয়, ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের স্ত্রী ডা. দীপু মনি বর্তমানে সরকারের রাজনৈতিক আক্রোশের শিকার হয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
নেতৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

